গঙ্গারামপুর ৬ এপ্রিল দক্ষিণ দিনাজপুর :
তপন থানার বজরা পুকুর শিবির পাড়ার বাসিন্দা বচন বর্মন। এদিন দুপুরে তাদের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। হঠাৎ গ্রামবাসীরা দেখেন বচন ও তার মা জ্যোৎস্না বর্মনের ঘর আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে । প্রতিবেশিরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আগেই জ্যোৎস্না বর্মন ও তার দুই ছেলে বচন ও বাপি বর্মনের ঘরের আগুন লেগে যায়। ঘটনায় তিনটি ঘরের জামাকাপড়,আসবাবপত্র,চাল,ডাল,টাকা,স্বর্ণকার,সহ যাবতীয় জিনিস পত্র। খবর দেওয়া হয় দমকলে।খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনা স্থলে ছুটে যায়।তবে তার আগে গ্রামবাসীরা আগুন নেভায়। ঘটনার পর থেকে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
লক্ষ্মী বর্মন বলেন এদিন তপনে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাঝ রাস্তায় শুনতে পায় বাড়িতে আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখছি ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র,টাকা ও স্বর্ণকার সব কিছু পুড়ে যায় হয়ে গেছে। এখন শুধু পারনের কাপড় টুকু আমাদের সম্বল। কীভাবে যে এমন ঘটনা ঘটল বুঝে উঠতে পারছি না।
জ্যোস্না বর্মন বলেন,বহু কষ্টে কয়েক হাজার টাকা জমিয়ে ছিলাম। কিন্তু সব কিছু যেন শেষ হয়ে গেল। তিনি বলেন,এখন আমরা কোথায় থাকব। কী খাব ভেবে পাচ্ছি না। সরকারি ঘর ও কিছু সাহায্য করলে একটু স্বস্তি পেতাম।
প্রতিবেশি শুভ হালদার বলেন,আমাদের এলাকায় ঘর গুলি একে অপরের সঙ্গে লাগানো। আজকে অল্পের থেকে আমাদের এলাকা রক্ষা পেয়েছে। ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।
বিপ্লব রায় জমিতে কাজ করছিল। হঠাৎ নজরে আসে জ্যোৎস্না বর্মন ও বচন বাবুদের ঘর আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে। ছুটে এসে আগুন নেভানোতে আপ্রান চেষ্টা করলাম। কিন্তু তিনটি ঘর আর রক্ষা করা গেল না। তিনি বলেন পরিবার গুলি সরকারি সাহায্যে পেলে ভালো হত।
তপন ব্লকের বিডিও তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলিকে সমস্ত রকম ভাবে সাহায্য করা হবে।

