উল্লেখ্য আর মাত্র কয়েকদিন পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর সেই নির্বাচন এগিয়ে আসতেই তৃণমূলে ভাঙ্গন ধরেছে। বংশীহারী ব্লকের বিভিন্ন এলাকার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে সিপিএমে ও কংগ্রেসের যোগদান করছেন। ওই এলাকার গ্রামবাসীদের অভিযোগ গ্রামে তৃণমূল নেতাকর্মীরা চোর ও দুর্নীতি জড়িত হয়ে গিয়েছে। কোনরকম সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন না গ্রামের মানুষজন। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে প্রার্থীর টিকিট। বিভিন্ন এলাকার বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মকরামপুর এলাকার গ্রামের বাসিন্দারা নিজের ভোট নিজেরাই দেবার কারণে সিপিএম নেতা মোসাদ্দেক হোসেন ও সুকুরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সিপিএম এ হয় যোগদান, সিপিএম নেতাকর্মীরা গ্রামবাসীদের হাতে পতাকা তুলে দিলেন।এবারে তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগদান করলেন প্রায় ৬০টি পরিবারের ২৫০ জন। দুর্নীতিমুক্ত গ্রাম তৈরি করতে তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমের যোগদান।
এই বিষয়ে যোগদানকারী জানিয়েছে আমরা বহু বছর ধরে তৃণমূল করে এসেছি। কিন্তু দিনের পর দিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা চর ও দুর্নীতিতে জড়িত। গ্রামের মানুষজন সঠিক ভাবে সুজোক সুবিধা নিতে পারছেন না। রাস্তা ঘাটের সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি। তাই আমরা প্রায় ৬০ টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে সিপিএম এ যোগদান করলাম।
এই বিষয়ে সিপিএম নেতা মোসাদ্দেক হোসেন জানিয়েছেন আজকে আমরা এলাহাবাদ অঞ্চলে ৪২/১৩৭ নম্বর মোকারামপুর বুথে কর্মীসভা করা হয়। সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে তৃণমূল সরকার চর ও দুর্নীতিতে যুক্ত। তাই আজকে ৬০ টি পরিবারের প্রায় ২৫০ জন মানুষ তৃণমূল ছেড়ে সিপিএম এ যোগদান করলেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে সিপিএম এ যোগদান করছে আরও করবে।

