কুড়ি শতাংশ বোনাসের দাবিতে শিলিগুড়ি শ্রমিক ভবনে বিক্ষোভ শ্রমিক সংগঠনের।
শিলিগুড়ি:-
সামনেই পুজো,আর পূজোর আগেই বোনাসের অপেক্ষায় থাকেন প্রত্যেকে।ঠিক তেমনি প্রতিনিয়ত খেটে চলা শ্রমিকরাও এই পুজোর কটা দিন ভালো বোনাসের দিকে মুখ চেয়ে বসে থাকেন।তবে আশানুরূপ বোনাস কোনবারই মেলে না তাদের।নিরাশ হতে হয় প্রত্যেকবার। বিগত বছরেও ছবিটা ছিল একই।কুড়ি শতাংশ বোনাসের দাবি করেছিলেন শ্রমিকরা।তবে হয়নি সেই দাবি পূরণ।তাই এবছর প্রাপ্য বোনাসের দাবিতে আগে থেকেই অনর শ্রমিকরা।যার ফলস্বরূপ রবিবার সকাল থেকেই কুড়ি শতাংশ বোনাসের দাবীকে সামনে নিয়ে শিলিগুড়ি শ্রমিক ভবনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে শয়ে শয়ে শ্রমিকরা।তাদের মূল একটাই দাবি সারা বছর কাজ করেও কেন তাদের প্রাপ্য বোনাস দিচ্ছে না সরকার এবং মালিকপক্ষ?যে কারণে এদিন পার্বতীয় শ্রমিক সংগঠন সমন্বয় মঞ্চ দার্জিলিংয়ের ব্যানার কে সামনে নিয়ে শয়ে শয়ে শ্রমিকরা শিলিগুড়ির শ্রমিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে।পাশাপাশি এদিন এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন হাম্র পার্টির সভাপতি অজয় এডওয়ার্ড।মূলত এবছর কুড়ি শতাংশ বোনাস দেওয়ার দাবি জানান প্রত্যেকেই।এছাড়াও যদি মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি না মানেন তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিকরা।এবং এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও হস্তক্ষেপের দাবি জানান।তাদের অভিযোগ কেন রাজ্য সরকার মালিকপক্ষদের জোর দিয়ে শ্রমিকদের এই দাবীকে মান্যতা দিচ্ছে না?কেন মালিকপক্ষ তেরো শতাংশ বোনাসেই আটকে রয়েছে?এমনই প্রশ্ন তোলেন শ্রমিকরা।এছাড়াও তারা বলেন শ্রমিকদের ভোটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয় লাভ করেছেন।তিনি শুধু দক্ষিণবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নন বরং উত্তরবঙ্গ তথা দার্জিলিংয়ের মুখ্যমন্ত্রী।তাই এবার শ্রমিকদের যে কুড়ি শতাংশের বোনাসের দাবি তা রাজ্য সরকার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হস্তক্ষেপ করে পূরণ করাতেই হবে।না হলে তাদের আন্দোলন এভাবেই চলবে।তবে শ্রমিকদের আন্দোলনে ইতিমধ্যেই শ্রমিক ভবনে বিশেষ বৈঠক করা হয়েছে।কিন্তু আদেও সেই বৈঠকে কোন সুরাহা হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

