বালুরঘাট ১৬ অক্টোবর দক্ষিণ দিনাজপুর—-———সমবায় হিমঘরে আলু রেখে এবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়লেন বলে অভিযোগ উঠেছে। করিমূল ইসলাম নামে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসুরিয়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ এক কৃষক ইতিমধ্যেই সোস্যাল মিডিয়াম পোস্ট করে বিষয়টি নিয়ে সজাগ হয়েছেন।অনেকেই অভিযোগ করে বলছেন,সমবায়ের চেয়ারম্যান সেই পদে না থাকায় জেলা প্রশাসনের এআরসিএসের মাধ্যমে চলা গঙ্গারামপুরের কালদিঘি এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং সোসাইটি লিমিটেড এর বহুমুখী হিমঘরটি পরেছে বিতর্কের মুখে।যদিও সমবায়ের ম্যানেজার ও এআরসিএসের দাবি,কিছু আলুর সমস্যার কারনেই এমনটা হয়েছে সব আলুতে না,দাবি সমবায়ের ।গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসুরিয়া এলাকার কৃষক আনসার আলীর ছেলে করিমুল ইসলাম গঙ্গারামপুরে কালদীঘিতে সমবায় হিমঘরে এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং সোসাইটি লিমিটেড বেশ কিছু আলু মজুদ করেছিলেন।বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই আলু হিমঘর থেকে তোলার পরে দেখা যায় তার বেশিরভাগ আলুর দিয়ে গাছ বেরিয়ে গেছে বলে তিনি তার সোশ্যাল লিখিতভাবে পোস্ট করেছেন। তাদের আলুর প্রচুর ক্ষতি হয়েছে বলে ওই কৃষকের ছেলে করিমুল ইসলাম অভিযোগ করেন।তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়ার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন,”গঙ্গারামপুর হিমঘরে আলু রেখে আলু পচে, ও গাছ বের হয়ে তাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। প্রশাসন যাহাতে হিমগড় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তি গ্রহণ করে তাহার জন্য প্রশাসনিক দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” করিমুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,”সমবায় হিমঘরে আলু রেখে সর্বশ্রান্ত হয়েছি আমরা। প্রতিকার চেয়ে পোস্ট করেছি, ঘটনার প্রতিকার চাই।” দীর্ঘদিন ধরেই সমবায় সমিতির কোন চেয়ারম্যান নিয়োগ হয়নি। ফলে ওই সমবায় সমিতি জেলা প্রশাসনের এআরসিএসের জেলা আধিকারিককে দিয়ে সমবায়টা পরিচালিত হচ্ছে সমবায়ের ম্যানেজারের মাধ্যমে। দীর্ঘ বছরের এই সমবায় সমিতি যতদিন পর্যন্ত সমবায়ের চেয়ারম্যান ছিল ততদিন পর্যন্ত এই হিমঘরে এই ধরনের কোন অভিযোগ ওঠেনি বলে সূত্রে জানা গেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে3জগঙ্গারামপুর এগ্রিকালচারের মার্কেটিং সোসাইটি লিমিটেড বহুমুখী হিমঘরে মাসখানেক আগে সমবায়ের একটি ইউনিটে অসুবিধা হবার কারণে এমনটা হয়েছে। সমবায়ের ম্যানেজার অধীর দেবশর্মা বলেন,”কিছু আলুর সমস্যার কারনেই মনটা হয়েছে সব আলুতে না। সমবায়কে নিয়ে কে কি পোস্ট করেছে সেটা কিছু বলতে পারব না।” জেলা প্রশাসনের এআরসিএস জানিয়েছেন,”কৃষকদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে সমবায় থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা করা হয়েছে তাদের। খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা মিটে যাবে।” গঙ্গারামপুরে কালদিঘী সমবায় হিমঘরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জয়ন্ত কুমার দাস বলেন,” আগে এমনটা কোন দিন হয়নি আমার সময়ে।খোঁজ নিতে হবে কেন এমন হল।” প্রশ্ন উঠেছে নামকরা এই সমবায় হিমঘরে কেন এমন কালীর ছিটা লাগলো তা নিয়েই জেলার কৃষকেরা রয়েছে গভীর চিন্তায়। তাহলে কি সর্ষের মধ্যে রয়েছে ভূত সেই প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে জেলা সর্বত্র।

