গঙ্গারামপুরে সরকারি গাছে ব্যানার ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চাপানউতোর”নির্বাচনের মুখে উত্তেজনা ইন্দ্রনারায়ণপুর রেলগেট এলাকায়, গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার টাঙানো নিয়েও প্রশ্ন”

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

বালুরঘাট ৬ এপ্রিল, দক্ষিণ দিনাজপুর:—-   নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর সরকারি জায়গা থেকে রাজনৈতিক ব্যানার-পোস্টার সরাতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। এরই মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরে সরকারি জায়গায় থাকা গাছে বিজেপি প্রার্থীর ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে গঙ্গারামপুর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দ্রনারায়ণপুর কলোনি রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
অভিযোগ, রবিবার রাতে রেলগেটের পাশের সরকারি জমিতে থাকা গাছে বিজেপি প্রার্থী সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের ব্যানার লাগানো হয়। শুধু তাই নয়, ব্যানার টাঙাতে গাছের গায়ে পেরেক ব্যবহার করা হয়েছে বলেও স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন যা পরিবেশপ্রেমীদের মধ্যেও হালকা অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
বিষয়টি জানাজানি হতেই সরব হন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দাস। সোমবার বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস বলেন,
“আমাদের কর্মীরা আগে এখানে ব্যানার লাগিয়েছিল। সেই সময় বিজেপি সিআরপিএফকে ব্যবহার করে সেই ব্যানার খুলিয়ে দেয়। অথচ গতকাল রাতে বহিরাগতদের এনে শান্ত পরিবেশ নষ্ট করে সরকারি জায়গায় নিজেদের ব্যানার লাগিয়েছে বিজেপি। আমরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব।”
গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন,
“আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।আমরা সব সময় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই প্রচার চালাই। কে বা কারা এই ব্যানার লাগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা উচিত। বিজেপি কোনওভাবেই আইন ভঙ্গ করে না।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও সরকারি জায়গা ব্যবহার ও গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার লাগানোর বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *