গঙ্গারামপুর,২৪ জুন :——-— চুরির অভিযোগ পাবার এক ঘন্টার মাথায় চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের এমন কাজে খুশি গঙ্গারামপুর শহরবাসী। গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের কাজে আইসি হিসেবে শান্তনু মিত্র যোগদানের পরেই তিনি দায়িত্বের সঙ্গে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশের টিমকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসঙ্গে গঙ্গারামপুর থানার টাউন অফিসার বিশ্বজিৎ বর্মন তার টিমকে নিয়ে আইসি নির্দেশ মতো দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং তড়িঘড়ি কোন ঘটনার ঘটলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পুলিশি সূত্রে খবর,গঙ্গারামপুর শহরের নারানপুর লক্ষ্মীতলার বাসিন্দা দুর্জয় ঘোষ।কালিতলা শিশু পার্ক সংলগ্ন এলাকায় তাঁর একটি মোবাইল রিপিয়ারিংয়ের দোকান রয়েছে।প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার রাতে দুর্জয় বাবু দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান। শুক্রবার সকালে দোকানে এসে দেখেন একটি ল্যাপটপ,চারটি মোবাইল ও বেশকিছু টাকা উধাও। ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় কালিতলা বাজারে। গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে আইসি শান্তনু মিত্রের নির্দেশে গঙ্গারামপুর থানার টাউন অফিসার এসআই বিশ্বজিৎ বর্মন ও তার টিম। চুরি করার অভিযোগে ধৃত রুবেল মিঁয়া (২৪) ও মামুদ রানা (২৪)কে তাদের থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। তাদের বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার জাহাঙ্গীরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চ্যাংকুড়ি গ্রামে।
শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেন দুর্জয় বাবু। চুরির অভিযোগ পাবার পর আইসি শান্তনু মিত্রের নির্দেশে এসআই বিশ্বজিৎ বর্মন অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা হানা দেয় জাহাঙ্গীরপুর এলাকায়। এরপরেই দুই যুবককে গ্রেপ্তার সহ উদ্ধার করে চোরাই সামগ্রী। অভিযোগের কয়েক ঘন্টার মাথায় চোরাই সামগ্রী চোরাই সামগ্রী উদ্ধার করায় স্বস্তির হাফ ছেড়েছেন দুর্জয় বাবু। পুলিশের এমন সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরবাসী ও ব্যবসায়ীরা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী গুলির মধ্যে রয়েছে দুটি ল্যাপটপ,চারটি মোবাইল ফোন,একটি হেডফোন,ও বেশকিছু নগদ টাকা। রবিবার হেফাজতে চেয়ে ধৃতদের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ গঙ্গারামপুরে মহকুমা পুলিশ অধিকারীক। গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের এমন কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।

