গঙ্গারামপুর ২৪জুন দক্ষিণ দিনাজপুর-পঞ্চায়েত ভোটের নির্বাচনি প্রচারের অফিস ভাংচুর,ফ্লাগ ছিড়ে ফেলা দেওয়া, কয়েকটি চেয়ার চুরি করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমুল দুষ্কৃতী আশ্রিতদের বিরুদ্ধে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতার। শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবানপাড়া এলাকার বিজেপির বানানো নির্বাচনি কার্যলয়ে। ঘটনার খবর পেতেই সেখানে হাজির হন তপনের বিধায়ক থেকে শুরু করে জেলা বিজেপি নেতা ও মন্ডল নেতারা সেখানে পৌচ্ছান। বিজেপি নেতা তৃণমুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তৃণমুল ভোটে হেরে যাবে বলে বিজেপি প্রার্থীদের ভয় পেয়ে এমন কাজ করছে। যদিও পাল্টা জেলা তৃণমুল সভাপতি বলেন, ভোটের আগে বাজার গরম করতে চাইছে বিজেপি।তাই নিজেরাই এমন কাজ করে আমাদের উপর দোষ চাপ চাপিয়ে দিচ্ছে। ঘটনাস্থলে শোরগোল পরেছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গঙ্গারামপুর থানার সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবানপাড়া এলাকার বিজেপির বানানো নির্বাচনি কার্যালয়ের অফিস রয়েছে। এবছর মাত্র গঙ্গারামপুর ব্লকে ১১জন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী তাঁদের নমিনেশন জমা দেবার পর তাঁদের নমিনেশনপত্র তুলে নিয়েছেন।গঙ্গারামপুর ব্লকের ৪নম্বর জেলা পরিষদ আসনে ভোটে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে আইনজীবী প্রদীপ সরকারকে। বিজেপির ৪ মন্ডল নেতাদের অভিযোগ ,শনিবার রাতে সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ভগবানপুরে ওই বিজেপির পঞ্চায়েতের নির্বাচনি কাৰ্য্যালয়ে বসে কাজ সেরে সকলেই বাড়ি চলে যান।জেলা ও স্থানীয় বিজেপি নেতাদের অভিযোগ,এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার জন্য তৃণমূল দুষ্কৃতী আশ্রিতরা বিজেপির ভগবানপুরে পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত ভোটের নির্বাচনি প্রচারের অফিস ভাংচুর,ফ্লাগ ছিড়ে ফেলা দেওয়া,কয়েকটি চেয়ার চুরি করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল দুষ্কৃতী আশ্রিতদের বিরুদ্ধে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতার। রবিবার সকালে এমন ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান বিজেপির ৪নম্বর মন্ডল সভাপতি অশোক বর্ধন, বিজেপির ৪মন্ডল যুব মোর্চার সভাপতি সুরোজিত সরকার,জেলা বিজেপির সাধারন সম্পাদক অশোক বর্ধন, তপনের বিজেপির বিধায়ক বুধরাই টুডু সহ আরো অনেকেই।জেলা বিজেপির সম্পাদক অশোক বর্ধন তৃণমুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তৃণমুল ভোটে হেরে যাবে বলে বিজেপি প্রার্থীদের ভয় পেয়ে এমন কাজ করছে।মানুষজন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করবে। বিজেপির ৪নম্বর মন্ডল সভাপতি রঞ্জিত রায় ও বিজেপির ৪মন্ডল যুব মোর্চার সভাপতি সুরোজিত সরকার অভিযোগ করে বলেন, এটা দুষ্কৃতীদের কাজ ।এমন ঘটনা ঘটিয়ে ভোটে জয়লাভ করা যায় না।আমরাই ভোটে জয়লাভ করব।
জেলা তৃণমুল সভাপতি মৃনাল সরকার বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, নিজেদের মধ্যে গোলমাল করে এমন কান্ড নিজেরাই তারা করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমুল কোন ভাবেই জড়িত নয়।ওই এলাকায় তৃণমুল জয়লাভ করবে।
এমন ঘটনায় এলাকায় শোরগোল এলাকায়, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

