গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিডুবাতে সীমানার খুটি ভাঙাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের গোলমালকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হল বেশ কয়েকজন, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

উত্তরবঙ্গ কলকাতা খেলা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

গঙ্গারামপুর,২৪ জুন :———— সীমানার খুঁটি ভাঙাকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশির সংঘর্ষে গুরুতর জখম হলেন চারজন। আহতদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিডোবা এলাকায়। ঘটনার পর থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনা তথ্য শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
গঙ্গারামপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিডোবা এলাকার বাসিন্দা আক্রান্ত গনেশ কর্মকার অভিযোগ করে বলেন আমাদের বাড়ির সীমানায় খুঁটি পোতা ছিল। গতকাল রাতে আমাদের অলক্ষ্যে প্রতিবেশি আরাধন সূত্রধর সেই খুঁটি ভেঙে ফেলে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে তাদের বলতে যাই কেন খুঁটি ভেঙেছে। এতে আমাদের ওপর লাঠিসোঠা নিয়ে চড়াও হয়। আমাদের বেধড়ক মারধর করা। আমার স্ত্রী, ভাই,ও ভাইয়ের বউ আটকাতে গেলে তাদের কেউ মারধর করে। তারাও হাসপাতালে ভর্তি। তিনি জানান,মেরে তাদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাইয়ের হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পাশাশাশি তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।পুলিশ গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দিক। পুলিশি সূত্রে আরো খবর,গঙ্গারামপুর শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিডোবার বাসিন্দা কর্মকার ও আরাধন সূত্রধর। তারা একে অপরের প্রতিবেশি।কিছুদিন ধরে দুই প্রতিবেশির মধ্যে বাড়ির সীমানা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। অভিযোগ গতকাল রাতে আরাধনের পরিবার গনেশের বাড়ির সীমানা খুঁটি ভেঙে দেয়। বিষয়টি নজরে আসতে প্রতিবেশি দুই পরিবারের মধ্যে প্রথমে তর্ক বির্তক শুরু হয়। এরপর সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম হন গনেশ কর্মকারের পরিবারের চারজন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে চেহারা নেয়। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যায় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। দুই পরিবারের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে গঙ্গারামপুর থানায়।
গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে,হাতিডোবা এলাকায় প্রতিবেশিদের মারপিটে চারজন আহত হয়েছেন। দুই তরফে লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এবিষয়ে অভিযুক্ত আরাধন সূত্রধরের পরিবার লোকজন বাড়িতে না থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *