গঙ্গারামপুর শহরের ১৮ ওয়ার্ডে তৃণমূলের সংগঠন জোরদার, বুথভিত্তিক বাড়তি দায়িত্ব নেতৃত্বদের তুলে দিলেন চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র ও প্রার্থী গৌতম দাস

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 ৫ই এপ্রিল;—    দক্ষিণ দিনাজপুরআসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে গঙ্গারামপুর শহর এলাকার ১৮টি ওয়ার্ডে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী গৌতম দাসের ভোটব্যাঙ্ক আরও শক্তিশালী করতে সংগঠনকে নতুনভাবে সাজাতে উদ্যোগী হল দলীয় নেতৃত্ব।প্রতিটি ওয়ার্ডে বুথভিত্তিক দায়িত্ব বাড়িয়ে একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ও কর্মীদের হাতে বাড়তি দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।
গঙ্গারামপুর নিউমার্কেটে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি তথা গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র এবং ৪১নম্বর গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত নির্বাচনে গঙ্গারামপুর শহরের কয়েকটি ওয়ার্ডে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে পড়তে হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে।সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবারের নির্বাচনে শহরাঞ্চলে সংগঠনকে আরও মজবুত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে‘এসআইআর’-এর নামে ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই আন্দোলনে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সংগঠনকে আরও সক্রিয় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এই বৈঠকে প্রতিটি ওয়ার্ডে বুথভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয় এবং দায়িত্বশীল কর্মীদের ওপর সংগঠনকে শক্তিশালী করার বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। লক্ষ্য একটাই—শহরাঞ্চল থেকে তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষে বিপুল ভোট নিশ্চিত করা।
জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি তথা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন,“গঙ্গারামপুর শহর এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দাস যেন ব্যাপক ভোটে জয়ী হন, সেই লক্ষ্যেই প্রতিটি ওয়ার্ডে আরও বেশি করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস বলেন,“শহরের সংগঠন এমনিতেই শক্তিশালী।এবার আরও দায়িত্ব বাড়ানো হয়েছে কর্মীদের উপর।আমরা আশাবাদী,শহর থেকে ব্যাপক ভোটে এগিয়ে যাব।”
উল্লেখ্য, এদিনের বৈঠকে গঙ্গারামপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠনিক শক্তির স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *