গলায় ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু ৯০ বছরের এক বৃদ্ধার। ঘটনাটি ঘটেছে বুনিয়াদপুর শহরের দুই নাম্বার ওয়ার্ড শেরপুর এলাকায়

উত্তরবঙ্গ কলকাতা খেলা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত ওই বৃদ্ধার নাম শোভা ঘোষ, বয়েস ৯০ বছর। বাড়ি বুনিয়াদপুর শহরের দুই নাম্বার ওয়ার্ড শেরপুর এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে আনুমানিক ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ বাড়ির পিছনদিকে বারান্দার চালীতে বাসে সঙ্গে দড়ি দিয়ে গোলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃদ্ধার জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর বৃদ্ধা বাংলাদেশ থেকে ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এসে বসবাস করতেন। ওই বৃদ্ধার বুনিয়াদপুর শহরের দুই নাম্বার ওয়ার্ড শেরপুরে বিয়ে হবার পর ৬ টি ছেলে সন্তান হয়। তার মধ্যে বড়ো ছেলে বহু দিন আগেই মারা গিয়েছেন। আড়াই মাস আগে মেজো ছেলেরও মৃত্যু হয়। দুই ছেলের মৃত্যুর পর বৃদ্ধা শোগাহত ছিলেন ও ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। কীভাবে বাড়ির পিছনদিকে গিয়ে দড়ি দিয়ে গোলায় ফাঁস লাগিয়েছে তা সম্পূন্ন অজানা পরিবারের সদস্যদের। বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পরিবারের সদস্যরা। বৃদ্ধার এরকম ঝুলন্ত দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের সদস্যরা। খবর দেওয়া হয় বংশীহারী থানায়। বংশীহারী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়ে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে বৃদ্ধার ছেলে অখিল ঘোষ জানিয়েছেন মেজদার মৃত্যু হয়েছে আড়াই মাস আগে। তারপর থেকে মা ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন। কখন কি করতেন নিজেই বুঝতে পারতেন না। আজকে বেলা আড়াইটা নাগাদ বাড়ির পিছন দিকে বারান্দার চালিতে বাসের সঙ্গে দড়ি লাগিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাকে রশিদপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলেও হাসপাতালে চিকিৎসক মাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *