গঙ্গারামপুর ৩০জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর-নেপাল থেকে আত্মীয়ের চোখ অপারেশন করে শিলিগুড়ি থেকে গঙ্গারামপুর আসার পথে গাড়ির মধ্যে মাদক মেশানো জিনিশ খাইয়ে এক যুবকের সমস্ত জিনিশপত্র নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতির বলে অভিযোগ উঠেছে।শিলিগুড়ি থেকে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন থানার রামপুরে এসে ওই যুবক এমন ঘটনার কথা জানতে পেরে তপন থানার রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসারেরা বিষয়টি জানতে পেরেই ওই গাড়ি থেকে তাঁকে নামিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করে। ঘটনায় শোরগোল পরেছে এলাকাজুড়ে।তপন থানার রামপুর এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর রায়ের ভাই রিন্টু রায় তাঁর কাকিমা ফুলেশ্বরী রায়ের চোখের সমস্যার কারনে কয়েকদিন আগে শিলিগুডি হয়ে নেপালে চোখ দেখাতে গিয়েছিল। সেখানকার চিকিৎসেরা ১৫দিন পর পর ফুলেশ্বরী রায়ের চোখ অস্ত্রপ্রচার করার সময় দেন। সেখানেই আক্রান্ত রিন্টু রায় কাকিমাকে রেখে দিয়ে এদিন সকালে শিলিগুড়ি বাসষ্ট্যান্ড থেকে বালুরঘাটগামী একটি গাড়িতে ওঠেন।শিলিগুড়ি থেকে বালুরঘাটগামী ওই বেসরকারি বাসের খালাসি রায়গঞ্জে এসে দেখতে পান ওই বাসযাত্রী যুবক তাঁকে ভাড়া নেবার সময় বাসের টিকিট পরীক্ষকে বলেছিল সে তপন থানার রামপুরে নামবে।সেই কথা শুনেছিল গাড়ির খালাসি। কিন্তু রায়গঞ্জে এসে ওই খালাসি যুবককে দেখতে পান সে অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছে গাড়ির বসার সিটে। এর পরেই গাড়ি চালিয়ে তাঁকে তপন থানার রামপুর পুলিশ ফাঁড়িতে নামিয়ে দেয় ক্যাম্পের অফিসারকে বিষয়টি জানিয়ে।ওই বেসরকারি বাসের খালাসি অভিজিৎ সরকার জানান,দেখে মনে হয়েছিল গাড়ির মধ্যে কেউ মাদক মেশানো জিনিশ খাইয়ে সমস্ত জিনিশপত্র নিয়ে চম্পট নিয়েছে। যেহেতু বাড়ির কথা শুনেছিলাম ওই যুবকের মুখ থেকে তাই রামপুর পুলিশ ফাঁড়িতে নামালাম। শুনেছিলাম তাই রামপুর পুলিশ ফাঁড়িতে নামালাম।আক্রান্ত রিন্টু রায়ের দাদা শঙ্কর রায় জানান, ভাই কাকিমাকে নেপালে চোখ দেখাতে গিয়েছিল।গাড়ির মধ্যে কেউ মাদক মেশানো জিনিশ খাইয়ে সমস্ত জিনিশপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে।পুলিশ খবর দিতেই তাঁকে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে হাসপাতালে দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাব৷ রামপুর ফাঁড়ির পুলিশ জানিয়েছে,বিষয়টি জানার পরেই বাড়ির লোকজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁকে পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এমন ঘটনায় শোরগোল পরেছে এলাকাজুড়ে। I

