গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সফর গঙ্গারামপুর কলেজে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে সেমিনার ও পরিচয় পর্ব সম্পন্ন

কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 গঙ্গারামপুর ২৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর:—- গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলর আশীষ ভট্টাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কলেজ সফরে এসে গঙ্গারামপুর কলেজে পরীক্ষা পদ্ধতি বিষয়ক আলোচনা চক্র ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।পাশাপাশি কলেজের অধ্যাপক, অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একটি পরিচয় পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় যে কয়েকটি কলেজ রয়েছে, তার মধ্যে গঙ্গারামপুর কলেজেই সর্বপ্রথম ভাইস চ্যান্সেলরের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের বিদ্যাসাগর ভবনে আয়োজিত এই সেমিনারে জেলার একাধিক কলেজের প্রিন্সিপাল, অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার বিশ্বরূপ সরকার, এনএভি পরিদর্শক স্বদেশ পাল, ওগঙ্গারামপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল দীপক কুমার জানা সহ অন্যান্য অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকবৃন্দ। জানা গিয়েছে বিগত দিনে মালদা জেলায় অবস্থিত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ সংক্রান্ত একাধিক সমস্যায় পড়তে হয়েছে পড়ুয়াদের। নতুন ভাইস চ্যান্সেলর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই পরিস্থিতির উন্নতিতে তিনি বিভিন্ন কলেজে সরাসরি গিয়ে অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।
এপ্রসঙ্গে ভাইস চ্যান্সেলর আশীষ ভট্টাচার্য বলেন,“প্রথমেই মনে রাখতে হবে, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় দুটি সম্পূর্ণ পৃথক প্রতিষ্ঠান। দায়িত্ব গ্রহণের পর কলেজগুলিতে কী কী সমস্যা রয়েছে, বিশেষত পরীক্ষাব্যবস্থা সংক্রান্ত যে সমস্যাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখতেই এই সফর।”
গঙ্গারামপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল দীপক কুমার জানা জানান,“দায়িত্ব গ্রহণের পরেই তিনি আমাদের কলেজে এসে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।বিশেষ করে পরীক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি গুরুত্ব সহকারে কথা বলেছেন এবং ভবিষ্যতে কলেজের যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”
আগামী দিনে দায়িত্বপ্রাপ্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর উদ্যোগে শিক্ষকমহল ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নে আরো বেশি করে আশার আলো দেখা যাবে বলে মনে করছে শিক্ষক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *