বালুরঘাট, ১৪ সেপ্টেম্বর —-— আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নির্মানকাজ বালুরঘাটে! গুড়িয়ে দেওয়া হল পুরসভার নর্দমা, বিপাকে প্রতিবেশীরা। আশঙ্কা বহুতল ভেঙে পড়বারও। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে বিল্ডিং নির্মানের কাজ বন্ধ রাখবার নির্দেশিকা জারি পুরসভার। ঘটনাকে ঘিরে তুমুল হইচই পরিস্থিতি বালুরঘাট শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলপুর এলাকায়।
জানা গেছে , শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলপুর এলাকায় মিহির কুমার চাকির নিজস্ব জায়গায় বেশ কয়েকদিন ধরে শুরু হয়েছে একটি বহুতল নির্মাণের কাজ। যে নির্মানকাজ নিয়েই উঠেছে একাধিক সরকারি নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসাবে ওই জায়গার মালিকের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষদের জন্য ব্যবহৃত পুরসভার একমাত্র নর্দমাটি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর যার জেরে চরম বিপাকে পড়েছে প্রতিবেশী বেশ কয়েকটি পরিবার। শুধু তাই নয়, ওই বহুতল ভবন নির্মানে মানা হয়নি পুরসভার সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলীও। অন্যদিকে ওই ভবন নির্মানের খননকাজ শুরু হতেই মাটি ধসে গিয়ে পাশ্ববর্তী একটি বহুতল ভেঙে পড়বার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যাকে ঘিরে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে প্রতিবেশী সুমন মন্ডলের পরিবারে। এদিকে এই ঘটনার অভিযোগ পেতেই তড়িঘড়ি বিল্ডিং নির্মানের কাজ বন্ধ রাখবার কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে বালুরঘাট পুরসভা কতৃপক্ষ।
প্রতিবেশী সুমন মন্ডল ও মৃণাল দাসরা বলেন, প্রতিবেশী ব্যক্তির বাড়ি নির্মানের জেরে তাদের বাড়ির নিচের মাটি বেশকিছুটা ধসে গিয়েছে। যাকে ঘিরে রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন তারা।
নির্মিয়মান ভবনের মালিক মিহির কুমার চাকি বলেন, বিল্ডিং নির্মানের ক্ষেত্রে পুরসভা স্টপ নোটিশ দিয়েছে। তবে প্রতিবেশী ওই বাড়িটি রক্ষা ও ভাঙা ড্রেনটি ঠিক করবার পরেই এব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত জানাতে চেয়েছে পুরসভা। তারপরেই দ্রুততার সাথে তারা সেই কাজটি শুরু করে দিয়েছেন।
বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, এলাকা থেকে অভিযোগ পাবার পরেই ওই বিল্ডিং নির্মানের কাজ বন্ধ রাখবার নোটিশ জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে যাবতীয় কাগজ দেখবার পরেই এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে পুরসভা।

