জানা গিয়েছে গঙ্গারামপুর থানার ঠ্যাঙাপাড়া করিয়াল গ্রামের বাসিন্দা দীপঙ্কর রায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে পেট্রোল পাম্প তৈরির লাইসেন্স পান। এরপর পিডাব্লুউডি জায়গা একটি সংস্থা লিজ নেয়। কিন্তু ওই এলাকায় পিডাব্লুউডির জায়গায় বেশকিছু বাড়িঘর থাকায় সমস্যা তৈরি হয়। এরপরেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হন দীপঙ্কর বাবু। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্ট পর্যন্ত মামলা গড়ায়। ২০২২ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে বাড়িঘর উচ্ছেদ নেমে ছিল।সে সময় কয়েকটি বাড়ি উচ্ছেদ করেছিল প্রশাসন। প্রায় দুই বছর পর ফের এদিন করিয়াল গ্রামে পিডব্লিউডি জায়গা থেকে বাড়ি ঘর উচ্ছেদ করতে যায় প্রশাসন ও পিডাব্লুউডি আধিকারিকরা ।এদিন বাড়ি উচ্ছেদ ঘিরে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।বাড়ি বাঁচাতে আর্থ মুভারের সামনে জীবন দিতে তৈরি হয়ে যায় গৃহবধূরা। প্রশাসনকে হুমকি দেন হয় আমাদের বিষ দিন। না হলে আমাদের পুনবাসনের ব্যবস্থা করুন। নইলে আমরা বাড়ি ভাঙতে দেব না।উচ্ছেদ ঘিরে করিয়াল গ্রামে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও রেফ মোতায়ন করা হয়। দীর্ঘ সময় পর পুলিশ প্রসাশন ও পিডাব্লুউডি আধিকারিকরা চেষ্টা করে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে না ফেরে ফিরে যান। এদিন উপস্থিত ছিলেন পিডাব্লুউডি অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিযার দিগন্ত কুন্ডু,গঙ্গারামপুর থানার আইসি শান্তনু মিত্র প্রমুখ । বাড়ি উচ্ছেদ শুরু হতে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির গৃহবধূরা। তাঁর আগে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

