* জলপাইগুড়ি:-* জলপাইগুড়ির বাহাদুর অঞ্চলের বড়ুয়াপাড়ার ঘটনা। অমানবিক এই ঘটনায় উঠেছে নিন্দার ঝড়।
ঘটনাসূত্রে জানা গিয়েছে, নরেশ রায়ের প্রথম স্ত্রী বেশ কয়েক বছর আগে গত হন। সেই পক্ষের একটি ছেলে রয়েছে নাম প্রসেঞ্জিত রায়। বছর তেইশের সেই যুবকের হৃদযন্ত্রে সমস্যা থাকায় প্রায় শয্যাশায়ী। সেই ছেলের দেখভালের জন্য মাসছয়েক আগে পিংকি রায় নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন নরেশবাবু। অভিযোগ বিয়ের একমাস পর থেকেই সেই ছেলের ওপর অত্যাচার করতেন পিংকীদেবী। নরেশবাবু কর্মসূত্রে শিলিগুড়ি থাকেন। সেই সুযোগে অসুস্থ সৎ ছেলের ওপর চলত অত্যাচার। খেতে না দেওয়া, কটুক্তি, মারধর করা হত বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সেই অত্যাচার চরমে ওঠে। অভিযোগ, সারাদিন অভুক্ত থাকার পর সন্ধ্যেবেলা খেতে চায় প্রসেঞ্জিত । তখনই কটুক্তি করেন পিংকিদেবী। তার প্রতিবাদ করতেই ছেলের ওপর চড়াও হন তিনি। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কমড়ে দেন বলে অভিযোগ। এরপর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেস্টা করেন। যুবকের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। প্রতিবেশীরাই গুরুতর জখম যুবককে নিয়ে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে শিলিগুড়ি থেকে ছুটে আসেন নরেশবাবু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পিংকিদেবীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার কোতোয়ালি থানায় দাঁড়িয়ে স্ত্রীর কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার জেরে নিন্দার ঝড় উঠছে এলাকায়। স্থানীয়দের ডাকে সাহায্য করতে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন যুব তৃণমূল নেতা অজয় সাহা। তিনিও ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

