গঙ্গারামপুর ২৮ অক্টোবর দক্ষিণ দিনাজপুর:— বংশীহারী থানার করখা এলাকায় রাজবংশী ভাইন্স ইউটিউবার দীপুর বাড়ির সামনে সংসার করার দাবিতে ধরনায় তার এক বছরের বিবাহিত স্ত্রী।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে দীপুর বিবাহিত স্ত্রীর বলে দাবি করা ওই গৃহবধূর সূত্রে জানা গিয়েছে যে,এক বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় দীপু উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের বাসিন্দা লাভলি দেবী।তার দাবি,কিছু দিন তাদের সাংসারিক জীবন ঠিকঠাক চললেও,প্রায় তিন মাস পর থেকেই তাদের সাংসারিক জীবনে নানান টালবাহানায় শুরু হয় অশান্তি। এরপর থেকেই দীপু ও তার পরিবার লাভলীর ওপর নানান অবিচার ও অত্যাচার শুরু করে বলে অভিযোগ তার।শুধু শারীরিক নয় মানসিক অত্যাচারে দীপুর স্ত্রী লাভলির উপর করতে থাকে তার পরিবারের লোকজনেরা।এরপর লাভলীর বাবার বাড়ির তরফে ও ইউটিউবার দীপুর পরিবারের তরফে তাদের সাংসারিক জীবন যাতে সুখের হয় সেই জন্য গ্রাম্য সভার মধ্য দিয়ে মিটমাট করে দেওয়া হয় বলে খবর। দীপুর বিবাহিত স্ত্রী লাভলির কোথায় আমি সংসার করতে চাই। তাই সোমবার আমার স্বামীর বাড়ির দরজার সামনে ধর্নায় বসেছি।আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা আমাকে সংসার করতে দিতে চায় না কেন জানিনা। আমার একটাই দাবি ন্যায় বিচার। তিনি আরো অভিযোগ করেন ,আমার বাবার বাড়ির ও দীপুর পরিবারের তরফে শুধু একবার নয় বারবার আমাদের সাংসারিক জীবনের অশান্তি মেটাতে হস্তক্ষেপ করে। এমনকি বংশীহারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হলে থানাতে গিয়েও বিচার করে মিটমাট করে দেওয়া হয়। তার পরেও কেন জানিনা আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা আমাকে মেনে নিতে পারছে না।প্রশাসনের কাছে আমার একটি দাবি যাতে আমি সুস্থ ভাবে আমার সাংসারিক জীবনে ফিরতে পারি। গৃহবধূ আরো জানিয়েছেন বেশ কিছুদিন আগে আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার জন্য কোর্টে গিয়ে ডিভোর্স ফাইল করা হয়, এবং আমার বাবার বাড়ির তরফে যে সমস্ত জিনিস আমার বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে দেওয়া হয়েছিল সমস্ত কিছুই ফেরত নিয়ে চলে যায় আমিও আমার পরিবারের লোকজনেরা । যদিও তাতে আমার কোনরকম হাত ছিল না। আমি বারবার আমার পরিবার ও আমার শ্বশুর বাড়ির পরিবারের লোকজনদের এটুকুই বলেছিলাম আমি সংসার করতে চাই বিবাহ বিচ্ছেদ চাইনা। যদিও আমার স্বামী অর্থাৎ রাজবংশী ভাইনস এর পরিচিত মুখ দীপু আমাকে বারবার বলতে থাকে আমি তোমার সাথে সংসার করতে চাই না,তোমার যদি কিছু করার থাকে করে নাও। আমি তোমার সাথে থাকবো না।তোমায় ডিভোর্স দেবো, আবার নতুন করে সংসার করবো। তাই আমি কোন রকম উপায় না পেয়ে আজকে দিপুর বাড়ির সামনে ধরনায় বসলাম।
এবিষয়ে ইউটিউবার দীপুর বিবাহিত স্ত্রী লাভলি দাস জানিয়েছেন, আমি নিরুপায় হয়ে আমার স্বামীর বাড়ির সামনে ধরনায় বসেছি সংসার করার দাবিতে।আমাদের এক বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। কিছুদিন ঠিকঠাক থাকার পর থেকেই শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক অশান্তি, শুধু আমার স্বামী দিপু নয় তার পরিবারের লোকেরা এবং তার আত্মীয়-স্বজনেরা সকলে মিলে আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে। আমি নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়ি চলে যাই এবং বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করি, যদিও তাতে আমার কোনরকম মত ছিল না। এখন আমি আমার স্বামীর সাথে সাংসারিক জীবনে ফিরতে চাই।প্রশাসনের কাছে শুধু আমার এটুকুই অনুরূপ যাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে আমাকে আমার সাংসারিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করে। প্রশাসন যদি এটি না করতে পারে তাহলে আমার মরে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
যদিও এবিষয়ে এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা রুগীলা সরকার জানিয়েছেন,সোমবার বিকেল থেকে ইউটিউবার দীপুর বাড়ির সামনে তার এক বছরে বিবাহিত স্ত্রী ধরনায় বসেছে সংসার করার দাবিতে। তাদের দুজনের গত বছর বিয়ে হয়েছিল খুব ধুমধাম সহকারে।তার কিছুদিন পর আমরা শুনতে পাই যে বৌদি আর সংসার করবে না বাবার বাড়ি চলে গেছে। এরপর সোমবার বিকেল থেকেই তাকে ধরনায় বসতে দেখছি। যদি এই ঘটনার বিষয়ে ইউটিউবার দীপু ও তার পরিবারের লোকজনদের কাছে এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও দীপুর বাড়ির সামনে তাসির ধরনায় বসা ঘটনার রীতিমতো শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে

