উত্তর দিনাজপুর: উত্তরবঙ্গের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোগুলির মধ্যে FC আজও উজ্জ্বল কালিয়াগঞ্জের বয়রা কালীবাড়ির পুজো আড়ম্বর নয়, ভক্তি এবং নিয়মনিষ্ঠাই এই পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রাচীনত্ব এবং নানা অলৌকিক কাহিনির টানেই পুজোর রাতে বহু মানুষ ভিড় করেন। পুজোর বয়স ঠিক কত, তা জানা যায় না। কথিত আছে, প্রবীণ এক সাধক বয়রা গাছের নিচে প্রথম পুজোর প্রচলন করেন। এখানে দুটি স্রোতস্বিনী নদী ছিল। একটির নাম রুহিতর, অপরটির শ্রীমতী। এই দুই নদী দিয়ে বড় বড় নৌকা করে বাণিজ্য করতে আসত দূরদূরান্তের বণিকরা। রুহিতর নদীটি মজে গিয়েছে ও শ্রীমতীরও প্রায় একই অবস্থা। এখানে বণিকেরা এসে যেখানে বিশ্রাম করতেন, সে জায়গাটি ছিল জঙ্গলে ভর্তি। পাশে একটি ছোট ঘর ছিল। বর্তমানে সেটির নাম গুদরি বাজার। মূলত সেই ঘরটিতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় গড়ে ওঠে নতুন মন্দির। পরে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিক সুকুমার ঘোষ মন্দিরটি সংস্কার করান। এরপর নানা অলৌকিক কাহিনি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। মন্দিরে বসানো হয় দেবীর অষ্টধাতুর মূর্তিও আগে পূজার দিন বলি হত লকডাউনের পর থেকে সরকারি নিয়ম মেনে বলির কথা বন্ধ করে দেওয়া হয় পূজার দিনগুলোতে উড়ছে পরে ভিড় বাইট বিদ্যুৎ বিকাশ ভ

