স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ৭২ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হল স্বামীর,ঘটনাটি গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের বোরডাঙ্গী এলাকার একটি আম বাগানের মধ্যে। যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় মৃত গৃহবধূর বাবার বাড়ির আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে উঠলো অপহরণ করে যুবককে খুনের অভিযোগ,শোরগোল এলাকাজুড়ে,তদন্তে পুলিশ

উত্তরবঙ্গ কলকাতা খেলা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

গঙ্গারামপুর ১৪আগস্ট দক্ষিণ দিনাজপুর :————-–গৃহবধূর মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ফের অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হল স্বামীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের বোরডাঙ্গী এলাকার একটি আমবাগানের মধ্যে।মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনদের অভিযোগ,শ্বশুরবাড়ি লোকজন তাদের মেয়ের মৃত্যুর পরে তাদের জামাইকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে দেহ।গৃহবধুর মৃত্যুর ঘটনায় শ্বশুর বাড়ির স্বামীসহ লোকজনদের বিরুদ্ধে মেয়েকে খুনের অভিযোগ তুলেছিল।সেই ঘটনায় মৃত গৃহবধূর শশুর বাড়ির কয়েকজনের নামে অভিযোগ করা হয়েছিল খুনের।কয়েক ঘন্টার মধ্য গৃহবধূর স্বামীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এবার মৃত গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে উঠলো অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে জামাইকে খুনের অভিযোগ।ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে,পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কয়েক মাস আগেই গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় জুট মিলের কর্মী জগন্নাথ হালদারের একমাত্র মেয়ে রিয়া( হালদার)সরকারের সঙ্গে ভালোবাসা করে বিয়ে করে গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের বোরডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা সুনীল সরকারের ছেলে পেশায় মৎস্য ব্যবসায়ী উত্তম সরকারের।গত ১১ই আগস্ট রাত্রিতে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয় গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে রিয়া হালদার(সরকারের)।সেখানেই গৃহবধূর বাবার বাড়ির তরফে অভিযোগ তোলা হয় স্বামী উত্তম সরকার,বাবা সুনীল সরকার, শাশুড়ি ও তার বেশ কয়েকজন আত্মীয়স্বজনেরা মিলে তাদের মেয়েকে খুনের পর হাসপাতালে ফেলে দেহ রেখে পালিয়ে গেছে।দেহ সৎকারের পরেই মৃত গৃহবধূ রিয়া(হালদার)সরকারের পরিবারের তরফে শশুর বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলা হয়।সেই ঘটনায় লিখিত অভিযোগও জানানো হয় গঙ্গারামপুর থানায়।সেদিন থেকে হঠাৎ করেই পরিবারের লোকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করবে বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় তারা বলে খবর।ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার রাতে মৃত ওই গৃহবধূর স্বামী উত্তম সরকারের দেহ তার বাড়ির এলাকার একটি গাছে দেখতে পায় এলাকার লোকজনেরা।যা সোমবার সকালে নজরে আসে এলাকাবাসীদের।পরে পুলিশ এসে ওই যুবকের অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হওয়া দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি থানায় নিয়ে আসে। মৃতের দুই আত্মীয় তাদের পরিবারের ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করে মৃত গৃহবধূ রিয়া সরকারের পরিবারের লোকজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।তারা দাবি করেন,অভিযুক্তদের যেন কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। মৃত যুবকের এলাকাবাসীও মৃত গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্বে অভিযোগ করে বলেন, যারা তাদের পাড়ার ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে খুন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিল তাদের ফাঁসির সাজার দাবি জানিয়েছেন তারা। গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে,ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্বার করা হয়েছে।মৃত যুবকের পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ করলে তাদের বিরুদ্ধেও কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। গৃহবধূ মৃত্যুর পর যেমন উঠেছে শশুর বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্বে খুনের অভিযোগ,তেমনি ফের ওই গৃহবধূর স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্বে উঠল খুনের অভিযোগ। এখন দেখার এটাই যে,এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।পুরো ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *