উল্লেখ্য ২০০১ সালে বুনিয়াদপুর শহরের ৫ নাম্বার ওয়ার্ড মির্জাতপুরে অবস্থিত যুব শক্তি ক্লাব। এবারে কালী পুজোর থিম প্রতীক্ষা চমক দিতে চলেছে জেলা বাসি তথা বুনিয়াদপুর বাসীকে। বালুরঘাট থেকে আগত প্যান্ডেল শিল্পীর সমন্বয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্রতীক্ষা। প্যান্ডেল কে সজ্জিত করে তুলবে ত্রিমণি থেকে আগত লাইটিং। যুবশক্তি ক্লাব এ বছর বুনিয়াদপুর বাঁশিকে আকর্ষিত করতে চলেছে প্যান্ডেল, যেখানে বিভিন্ন রকম হাতের কারুকার্য দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে, রাতদিন এক করেই প্যান্ডেল শিল্পীরা লাগাতার প্যান্ডেল তৈরির কাজ জোর কদমে চালিয়ে যাচ্ছে। জেলার সীমান্ত এলাকা হিলি থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে রংবেরঙের লাইটিং, এই রংবেরঙের লাইটিং এর দ্বারাই সাজিয়ে তোলা হবে যুবশক্তি ক্লাবের প্যান্ডেল যা দেখতে আকর্ষিত করবে প্যান্ডেলে আসা দর্শনার্থীদের। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের মধ্যে নামকরা মৃৎশিল্পী জয় পালের প্রতিমার মধ্য দিয়ে সাবেকি রূপে ফুটে উঠবে। যুবশক্তি ক্লাব প্রতিবছর পূজোর পাশাপাশি করে থাকেন নানা রকম সামাজিক কাজকর্ম, যেমন বস্ত্র বিতরণ, নরনারায়ণ সেবা, এছাড়াও প্যান্ডেলে আশা দর্শনার্থীরা যদি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সেই দিকটি মাথায় রেখে ক্লাব কর্তৃপক্ষরা একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে রেখেছে। যা পুজোর কয়েকদিন প্যান্ডেলের সামনেই থাকবে। প্যান্ডেলে আগত মানুষজনারা অসুবিধায় পড়লে অ্যাম্বুলেন্স তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও পুজোর পরের দিন থাকছে মালদা থেকে আগত বাংলা ব্যান্ড, ক্লাব কর্তৃপক্ষরা জানিয়েছেন পুজোর কয়েকদিন আমাদের প্যান্ডেলে রেকর্ড পরিমাণ মানুষজনদের ভিড় হবে বলে আশা করছি, সেই দিকটি মাথায় রেখে আমরা ৩০ জন পুরুষ ভলেন্টিয়ার এবং ১৫ জন মহিলা ভলেন্টিয়ার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।পুজোর একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের হাত ধরে ফিতে কেটে পুজোর শুভ উদ্বোধন করে খুলে দেওয়া হবে মন্দিরের দার।এছাড়াও ক্লাব কর্তৃপক্ষরা আরো জানিয়েছেন আমরা সারা বছরই বিভিন্ন রকম সমাজ সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকি। এ বছর যুব শক্তি ক্লাব ২৩ তম বর্ষে প্যান্ডেল, লাইটিং, প্রতিমা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিচিত্রা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চমক দিতে চলেছে বুনিয়াদপুর শহরকে।
এই বিষয়ে যুবশক্তি ক্লাবের মুখ্য উপদেষ্টা শ্যামলেন্দু চৌধুরী জানিয়েছেন প্রতি বছরের মত এ বছরও জেলা বাসী তথা বুনিয়াদপুর বাসীকে নতুন কিছু চমক দিতে চলেছি। আমাদের এবারে পূজোর থিম রয়েছে প্রতীক্ষা। লাইটিং থাকবে হিলির ত্রিমনি থেকে আগত ও প্যান্ডেল থাকছে বালুরঘাট থেকে আগত ও প্রতিমা রশিদপুরের উৎপল পাল। পুজোর একদিন আগে ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর হাত ধরে প্যান্ডেলের শুভ উদ্বোধন করা হবে। পুজোর একদিন পর শুক্রবার পুজো প্যান্ডেলের সামনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে বেন্ড অনুষ্ঠান। আশা রাখছি আমাদের এবার পুজো প্যান্ডেল দেখতে ভিড় জমাবে দর্শনার্থীরা।
এ বিষয়ে প্যান্ডেল কর্তৃপক্ষ খোকন দত্ত জানিয়েছেন আমরা এই প্যান্ডেলটি বালুরঘাটে করেছিলাম। সেখানেও সকলের প্রশংসা পেয়েছি এখানেও দিনরাত খেটে প্যান্ডেল কে সজ্জিত করে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছে। আশা করছি এ বছর যুবশক্তি ক্লাবের প্যান্ডেল সকলকে ভালো লাগবে।

