দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের দৌলতপুরে হাট ও সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।হাটে যাওয়ার রাস্তাগুলি কাঁচা এবং সামান্য বৃষ্টি হলে কাদায় ভরে যায়।এছাড়া সন্ধ্যার পর রাস্তায় আলো না থাকায় হাটে যাওয়া-আসা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে,দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ব্লকের বিডিও কোন উদ্যোগ নেয়নি।তারা বলেন,সমস্যার বিষয়ে অবগত হয়ে আশ্বাস দিয়েছেন যে,সমস্যার সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রাস্তাঘাট ও আলোর ব্যবস্থা নিয়ে একটি পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও তারা জানিয়েছেন।এখন দেখার বিষয়, কত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের দৌলতপুরে হাট সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হাটে যাওয়ার রাস্তাগুলি কাঁচা এবং বৃষ্টি হলে কাদায় ভরে যায়। এছাড়া সন্ধ্যার পর রাস্তায় আলো না থাকায় হাটে যাওয়া-আসা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন,দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
বংশীহারী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ব্লকের বিডিও এই সমস্যার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন যে,সমস্যার সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রাস্তাঘাট ও আলোর ব্যবস্থা নিয়ে একটি পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও তারা জানিয়েছেন।এখন দেখার বিষয়,কত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয় এবং বাসিন্দারা তাদের প্রাপ্য সুবিধাগুলি পান। বহু বছর ধরে হয়ে আসছে দৌলতপুরের হাট। তবে হাটে ঢোকার নেই কোন রাস্তা, বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতে হাটে জমে থাকে জল।প্রচন্ড সমস্যার মধ্য দিয়ে পার হয় হাটের দিনটি।
বহু বছর ধরে হয়ে আসছে দৌলতপুরের হাট। তবে হাটে ঢোকার নেই কোন রাস্তা, বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতে হাটে জমে থাকে জল। প্রচন্ড সমস্যার মধ্য দিয়ে পার হয় হাটের দিনটি।
বিগত ৫০ বছর ধরে হয়ে এই সমস্যা চলছে বংশীহারী ব্লকের অন্তর্গত দৌলতপুর সংলগ্ন এলাকার হাট। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার করে এই হাটটি লেগে থাকে। এই হাটে বহু দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে সাধারণ মানুষরা হার্ট করতে। হরিরামপুর, সিংহাদহ, দৌলতপুর, পাথরঘাটা থেকে এই হাটে মানুষ ভিড় জমায়। এত প্রচলিত হাট হবার পরেও এই হাটে ঢোকার মত নেই কোন রাস্তা।এই হাটে ঢোকার রাস্তা না থাকার কারণে বর্ষার সময় প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় হাট ব্যাবসায়ী থেকে শুরু করে হাটে আশা মানুষজনদের। বহু প্রাচীন হাট বলে পরিচিত হলেও সেই হাটের কোনো রাস্তা না থাকার কারণে খুব উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী রাও। হাট চত্বরে নেই কোন লাইটের ও সুব্যবস্থা। সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকারে পরিণত হয় হাট চত্বর। এই হাটে যাবার রাস্তা ও বাতিস্তম্ভর সুব্যবস্থা থাকলে সুবিধা হয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের। দৌলতপুর হাটে আসা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন,এই হাটে রাস্তা না থাকার কারণে প্রচন্ড সমস্যা হয় বসার সময়।হাটের মধ্যে একটি রাস্তা থাকলে সুবিধা পড়তে হয় মাল নামানোর ও ওঠানোর।এমনকি রাস্তা থেকে মাথায় করে বিভিন্ন জিনিস ধোলাই করে নিয়ে আসতে হয় দোকানদারদের। অভিযোগ ,বংশীহারী ব্লকের দৌলতপুরে হাট সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হাটে যাওয়ার রাস্তাগুলি কাঁচা এবং বৃষ্টি হলে কাদায় ভরে যায়। এছাড়া সন্ধ্যার পর রাস্তায় আলো না থাকায় হাটে যাওয়া-আসা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে,দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এবিষয়ে হাট ব্যবসায়ী তিলোম কর্মকার, সুশীল ঘোষ, সুব্রত সরকার ও হাটে আশা গ্রাহক জ্যোৎস্না মোহন্তরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন,বহু বছর ধরে দৌলতপুর হাট নামে পরিচিত। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার করে এই হাটটি লেগে থাকে। বহু দূর দূরান্ত থেকেই হাটে মানুষ ছুটে আসেন। তবে এই হাটে নেই কোন ঢোকার রাস্তা। হাটের মধ্যে রাস্তা না থাকায় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় হাটে আসা সকলকে। এই হাটের মধ্যে নেই কোন লাইটেরও ব্যবস্থা। বর্ষার মধ্যে প্রচন্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় ব্যবসায়ীদের ও গ্রাহকদের। সামান্য বৃষ্টিতেই হাটের মধ্যে জমে যায় জল।যদি হাটে ঢোকার রাস্তা ও একটি বাতিস্তম্ভ করা হয় তাহলে সকলেই আমরা উপকৃত হব।
বংশীহারী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গণেশ প্রসাদ ও ব্লকের বিডিও জানিয়েছেন,দৌলতপুর হাটের সমস্যার কথা আমরা জানতে পারলাম। আমরা এই সমস্যার কথা উপর মহলে জানাবো। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা আমরা করছি।

