, বালুরঘাট, ১৯ সেপ্টেম্বর ————-— বিশ্বকর্মা পুজোর সাংস্কৃতিক মঞ্চ মিলিয়ে দিল বাম- তৃণমূলকে। সোমবার রাতে বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মঞ্চে আর এস পির রাজ্য নেতার উপস্থিতিকে ঘিরেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। বেড়েছে বিমল সরকার কে ঘিরে নানা জল্পনাও। এদিন এই ভিডিও ভাইরাল হতেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা দক্ষিন দিনাজপুরে। যদিও এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ভাবে দেখতে নারাজ আর এস পি নেতা বিমল সরকার।
জানা যায়, সোমবার বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ডে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি। যে মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার, জেলা আই এন টি টি ইউসির সভাপতি নামিজুর রহমান, বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র, আই এন টি টি ইউসির সহ সভাপতি রাকেশ শীল, বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্বরা। সে মঞ্চে আচমকা উঠতে দেখা যায় আর এসপির রাজ্য নেতা বিমল সরকার কে। শুধু তাই নয় তৃণমূল নেতৃত্বদের সাথে সখ্যতা বিনিময় করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনও করেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল নেতৃত্বদের সাথে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে দুঃস্থ মানুষজনের মধ্যে বস্ত্র বিলি করতেও দেখা গেছে আর এসপির ওই নেতা কে। যা দেখে শুধুমাত্র তৃণমূল নেতৃত্বরাই নয়, অবাক হয়েছেন খোদ বামেদের একাংশ নেতৃত্বও। এদিন এই ভিডিও একপ্রকার ভাইরাল হতেই তুমুল হইচই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বালুরঘাট শহর সহ গোটা দক্ষিন দিনাজপুরে। লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের মঞ্চে উঠে আর এস পির রাজ্য নেতার এমন কর্মকান্ড যথেষ্টই জল্পনা বাড়িয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। তবে কি বিজেপিকে আটকাতে নির্বাচনের আগে জেলায় বদলাতে পারে রাজনৈতিক সমীকরণ ? বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ডে তৃণমূলের আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বিমল সরকারের উপস্থিতি এমনই একগুচ্ছ প্রশ্নকে উস্কে দিয়েছে। যাকে ঘিরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে গোটা দক্ষিন দিনাজপুর জেলায়। যদিও এবিষয়টিকে সেভাবে দেখতে নারাজ আর এসপি নেতা বিমল সরকার। তার দাবি শ্রমিকদের কোন দল হয়না। মঞ্চের পাশে তাদের সংগঠনেরও পুজো চলছিল। সেখান থেকে রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখাতেই মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি।
আই এন টিটি ইউসির সহ সভাপতি রাকেশ শীল অবশ্য জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা সম্পন্ন লোক বিমল বাবু। বাসস্ট্যান্ডে সকল দলের তরফেই বিশ্বকর্মা পুজা আয়োজিত হয়ে থাকে। তবে তাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য আগে থেকেই তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আর সে কারণেই হাজির হয়ে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও বস্ত্র বিতরণ করেছেন তিনি।

