গঙ্গারামপুর ২৩সেপ্টম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর-পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের সিপিএমের জেলা সনন্মলনে কোন আদিবাসী নেতা না থাকায় সংগঠনের সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে বসানো হল প্রাক্তম সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক মানবেশ চৌধুরী ও প্রশান্ত মৈত্রকে।কোষাধক্ষ্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুশান্ত বিশ্বাস৷২৫জনের একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ষষ্ট সম্মেলনে বৈদ্যনাথ সূত্রধর নগর মঞ্চে গঙ্গারামপুরের সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে এদিনের অনুষ্টানটি আয়োজিত হয়। সেখানেই রাজ্য নেতৃত্ব রঞ্জিত তালুকদার, সরকার কিস্কু,সহ একাধিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। হাতলে কি সিপিএমের সংগঠনের দলের হাল কঙ্গালসার এই প্রশ্ন তুলেছেন রাজনীতিবিদরা।
পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের সিপিএমের জেলা সম্মেলন জেলা ষষ্ট সম্মেলনে বৈদ্যনাথ সুত্রধর নগর মঞ্চে গঙ্গারামপুরের সিপিএমের দলীয় কাৰ্য্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে সহিদবেদীতে মাল্যদান ও দলের পতাকা উত্তেলন করা হয়। সেখানে রাজ্য নেতৃত্ব রঞ্জিত তালুকদার, সরকার কিছু সহ একাধিক নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের শেষে ২৫জনের কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের সিপিএমের সংগঠনের জেলা সভাপতি করা হয় সিপিএমের প্রাক্তন সম্পাদক গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়ি ধোপাদিঘী এলাকার বাসিন্দা মানবেশ চৌধুরীকে। সম্পাদক করা হয়েছে প্রশান্ত মৈত্র,কোষাধক্ষ্য করা হয়েছে প্রশান্ত সরকারকে।
পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের কোন নেতা সেই সংঠনের সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে বসবে সংগঠন বিস্তার করার জন্য সেটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের জেলা সম্মেলনে শেষ পর্যন্ত আদিবাসী কোন নেতাকে তাঁরা না পেয়ে সেই পদে পুরনো মুখকেই বসানো হল। যদিও পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের জেলা সম্পাদক প্রশান্ত মৈত্র বলেন, ষষ্টতম জেলা সম্মেলনে বহু দলীয় কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। সংগঠন মজবুত করার জন্য এমন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা তৃণমুল সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন,দলের সংগঠনের হাল কঙ্গালসার তাই এমনটা করতে হয়েছে। এর থেকে আর বেশী কিছু নয়।
জেলা বিজেপি সভাপতি সরুপ চৌধুরী বলেন, বামেদের সময়ে যেভাবে মানুষজন অত্যাচারিত হয়েছে সেই কারনেই সংগঠনের এমন হাল।
সিপিএমের আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের সংগঠনের হাল কঙ্গালসার হয়ে পড়েছে বলে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনীতিবিদরা।

