গঙ্গারামপুর ১২ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর:— জমি রেকর্ডের কাজে বাধা দিয়ে তা থেকে সরে যাওয়ার জন্য ৫০হাজার টাকা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতিকে দিলেই সেই কাজ থেকে তিনি সরে যাবেন বলে ব্যাড পলিটিক্স পেজে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে ভাইরাল হবার ঘটনায় শোরগোল জেলাজুড়ে।অভিযুক্ত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সাহেব সরকার বলে ব্যাড পলিটিক্স সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট করা হয়েছে।অভিযোগ ওঠা সাহেব সরকারের এমন নক্কার জন্য ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিন মিনিটের বেশি তিনটি ভিডিও পোস্টকে ঘিরেই শোরগোল পড়েছে গঙ্গারামপুর সহ জেলাজুড়ে।গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শঙ্কর সরকার তাকে বাসুরিয়ার অঞ্চল সভাপতি হিসেবে সাহেব সরকার বেশ কিছুদিন আগে সেই পদে বসিয়েছেন।জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ও ব্লক তৃণমূল সভাপতি অবশ্য বিষয়টি খোঁজ নিবেন বলে জানালেও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে হওয়া অভিযুক্ত বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকার।পুরো ঘটনা ব্যাপক শোরগোল পড়েছে গঙ্গারামপুর সহ এলাকাজুড়ে। গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে গঙ্গারামপুর ব্লকের গচিহার এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর সরকারকে জেলা সভাপতি অনুমোদন দেন।ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব পাবার কিছুদিনের মধ্যেই বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বহু বিতর্কিতমুখ সাহেব সরকার হওয়া সত্ত্বেও শঙ্কর সরকার বাসুরিয়া এলাকার বাসিন্দা সাহেব সরকারকেই বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেন।ব্যাড পলিটিক্স ফেসবুক পেজে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ওই প্রায় তিন মিনিটের সাউন্ডে এক প্রান্ত থেকে ফোনের কল রেকর্ড বেজে উঠছে দাদা আপনাকে ওখান থেকে সরে যেতে হবে।সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা অপর প্রান্তের যে সাউন্ড শোনা যাচ্ছে তা বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকারের গলা বলে সাহেবের ছবি দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে ব্যাড পলিটিক্স নামে ফেসবুক ওই সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজে। এলাকারই একটি জমির রেকর্ড করাতে গেলে তা বন্ধ করে দেন সাহেব সরকার বাসুরি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বলে অভিযোগ করা হয় সেখানে।সেই জমি রেকর্ডের কাজে সাহেব সরকার আর কোন হস্তক্ষেপ করবে না বলে তিনি জানান। প্রথমে সেই কাজের জন্য এক লক্ষ টাকা তিনি দাবি করেন, অন্যরা নাকি ৬ দিতে চেয়েছিল তাকে।পড়ে যা ৫০হাজার টাকায় রাজি হন বলে খবর।ব্যাড পলিটিক্স পোস্টে দাবি করা বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকার বলছেন ,তিনি সেই বিষয়ে আর হস্তক্ষেপ করবেন না।টাকা তিনি নিজেও হাতে নেবেন না লোক পাঠাতে হবে দলীয় পার্টি অফিসে গিয়ে টাকা পৌঁছাতে হবে।তিনিও বলেছেন রেকর্ড হবে কিনা সে বিষয়ে দায়িত্ব তার থাকবে না। শুধু তিনি সেই কাছ থেকে সাহেব সরকার সরে দাঁড়াবেন বলে কথা দিচ্ছেন।এই কাজের জন্য অবশ্য তিনি ৫০হাজারের এক টাকাও কম নেবেন না জানিয়ে দেন সেই সাউন্ড সিস্টেমে শোনা যাচ্ছে।(যদিও এই সাউন্ড সিস্টেমের সততা যাচাই করেনি আমাদের প্রতিনিধি)।বাসুরিয়া এলাকার রাজনৈতিক মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের এক অংশের অভিযোগ,দায়িত্ব পাবার পরেই বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকার এলাকার বহু কাজে তোলাবাজির করছে।তার প্রমান অঞ্চল সভাপতি সাহেব সরকার জমির একটি রেকর্ড প্রক্রিয়ায় দলের ও নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে বাধাদান করেন এবং রেকর্ড যাতে না হয় তার জন্য অফিসে গিয়ে নিষেধ করে আসেন।পরবর্তীকালে জমির মালিককে লোক মারফত প্রস্তাব দেন যে ,তাকে(সাহেব সরকারকে)এক লক্ষ টাকা দিতে হবে তাহলে উনি ওই রেকর্ডে করতে কোন বাধা না দিয়ে সেখান থেকে সরে আসবেন।জমির মালিক উপায় না দেখে তাতে রাজি হন এবং তাকে পুরো টাকা দেবার কথা বলেন। (এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সাউন্ড সিস্টেমের রেকর্ড গুলি)।(যদিও এই সাউন্ড এর সত্যতা যাচাই করেনি আমাদের প্রতিনিধি)। অভিযোগ উঠেছে,জেলার বড় বড় শাসক দলের নেতার ঘনিষ্ঠ এবং স্নেহধন্য বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকার। জেলা নেতৃত্ব’র কাছে এলাকাবাসীর আবেদন,২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে ব্যাড পলিটিক্স পেজে আবেদন করা হয়েছে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল জানিয়েছেন, বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, বিষয়টি আপনার কাছে জানতে পারলাম ,খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা না হবে। যদিও বাসুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সাহেব সরকার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে এমন ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল করেছে গঙ্গারামপুর সহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে।

