গঙ্গারামপুর ২৫শে নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর——————-——বিজেপির সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কোটার টাকায় তৈরি করা যাত্রী প্রতীক্ষালয় বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে পড়েছে।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের মহারাজপুরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিম্নমানের জিনিস দিয়ে তৈরি হয়েছে প্রতীক্ষালয়টি,যে কারণেই কিছুদিনের মধ্যেই যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের বিভিন্ন অংশে ভেঙে পড়ছে।স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিষয়টি নিয়ে চরম ও প্রকাশ করেন। ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ,বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবিষয়ে কিছু বলতে চাইনি।ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে। জেলা প্লানিং দপ্তর সূত্রের খবর, কয়েক মাস আগে জেলা সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সাংসদ কোথায় ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে গঙ্গারামপুর ব্লকের(৩)২বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজপুরে যাত্রী প্রতীক্ষালয়টি তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের বরাদ্দ পান গঙ্গারামপুরের নীলডাঙ্গা এলাকার ঠিকাদার অমল প্রামাণিক নামে এক ঠিকাদার।কাজ শুরু হয় যথা সময়ে।ইতিমধ্যেই প্রকল্পের কাজে বরাদ্দ পাওয়া ঠিকাদার তার কাজও শেষ করেন বলে খবর।এলাকাবাসীরা নিম্নমানের জিনিস দিয়ে যাত্রী প্রতীক্ষালয়টি তৈরী করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। তাদের অভিযোগ,প্রকল্পের কাজ শেষ হতেই যাত্রী প্রতীক্ষালয় নিচে থেকে বসার যে প্রতীক্ষালয়ের ভিতরে জায়গাগুলি রয়েছে সেগুলো হাত দিতেই ভেঙে পড়ছে। টাইলস গুলোও লাগানোর পরে ভেঙ্গে পড়ছে টুকরো টুকরো করে। এলাকার দুই স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, নিম্নমানের জিনিস দিয়ে যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরি হবার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।প্রশাসন তদন্ত করে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেক সেই দাবি জানাই।
স্থানীয়(৩)২বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল তৃণমূলের চেয়ারম্যান পরেশ বসাক অভিযোগ করে বলেন, সবেতেই চলছে অনিয়ম।সাংসদ কোটার টাকায় বরাদ্দে যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরীর কয়েক দিনের মধ্যেই বিভিন্ন জিনিসপত্র ভেঙ্গে পড়ছে। প্রতিক্ষালয়টিতে কেউ বসতে পারবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া ঠিকাদার অমল প্রমানিক তার বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়েছে।কাজের শেষে মানুষজন তা নষ্ট করছে এতে আমার কি করার আছে। রাজ্য বিজেপির অভিযোগ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারদারের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে তাকে ফোন করা হলে তিনি তার ফোন ধরেননি। যদিও জেলা প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

