স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্যের মুকুট বুনিয়াদপুর হেলথওকে নার্সিংহোমের।

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 

উল্লেখ্য জন্মের তিন মাস পর থেকেই গঙ্গারামপুর থানার নীলডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা নন্দিতা পাল ( আট বছর) থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হন। এরপরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে মাঝে মধ্যে গিয়ে তার শরীরে রক্ত দিতে হতো। এরপর আস্তে আস্তে নন্দীতার বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার শরীরের প্লীহা বড় হতে থাকে।এর পরেই নন্দিতা পালের পেট বড় হতে থাকে। যার পরেই হেলথওকে নার্সিংহোমে নিয়ে আসলে ডক্টর আলমগীর হোসেন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুক্রবার রাতে তার অস্ত্র প্রচার করেন। সফল হয় জটিল অস্ত্রোপচার। রাজ্য সরকারের চালু করা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে জটিল অস্ত্র প্রচার করে খুশি পরিবারের লোকজন ও সাধুবাদ জানিয়েছেন ডক্টর আলমগীর হোসেন কে ও হেলথ ওকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে। নন্দিতা পাল এর পরিবারের লোকজনেরা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে অস্ত্রোপচার না করলে আনুমানিক 60 থেকে 70 হাজার টাকা খরচ হতো। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে জটিল অস্ত্র প্রচার করা হয়েছে। ধন্যবাদ জানিয়েছেন বুনিয়াদপুর হেলথকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে ও রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এ বিষয়ে নন্দিতা পালের আত্মীয় পিংকি পাল জানিয়েছেন, আমার বোনের জন্মের তিন মাস পর থেকেই থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হন। এরপরে আমরা প্রথমে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে তার চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে গেলে তার শরীরে রক্ত দিয়ে ছেড়ে দিত। এরপরে বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার পেট বড় হতে থাকে। এরপর বুনিয়াদপুরের হেলথ ওকে নার্সিং এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে ডক্টর আলমগীর হোসেন সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে জটিল অস্ত্র করেন। আমরা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে হেলথ ওকে নার্সিংহোমে সুযোগ-সুবিধা পেয়ে ভীষণভাবে উপকৃত হয়েছি। এখন আমার বোন নন্দিতা পাল সুস্থ রয়েছে। ধন্যবাদ জানাই ফেল তোকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এ বিষয়ে ডঃ আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, আজকে হেলথকে নার্সিংহোমে একটি আট বছরের নাবালিকা মেয়ের থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। তার শরীরের প্লীহা বড় হয়ে তার পেট ফুলে উঠেছিল। তার পরিবারের লোকজনেরা হেলথওকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা কাল রাতে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে রোগী সুস্থ রয়েছে।

এ বিষয়ে হেলথওকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ আসাদুর খন্দকার জানিয়েছেন, গতকাল গঙ্গারামপুর থানার নীলডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা নন্দিতা পাল থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিল। আমরা ডক্টর আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় এরকম জটিল অস্ত্র প্রচার করেন। বর্তমানে রোগের সুস্থ রয়েছেন।

রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প স্বাস্থ্য সাথী। যার মাধ্যমে প্রান্তিক গ্রামের লোকজনেরা উপকৃত হয়ে চলেছেন। বুনিয়াদপুরের হেলথওকে নার্সিংহোমের এমন সাফল্যে খুশি সকলেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *