বালুরঘাট, ৭ নভেম্বর —–— নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকা রাকেশ শীল অবশেষে আত্মসমর্পণ করলেন আদালতে। বৃহস্পতিবার বালুরঘাট জেলা আদালতের বিচারক তাকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। যে ঘটনা নিয়ে ফের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।
জানা গেছে চলতি বছরের ২৮ মে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠতেই তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হন প্রভাবশালী রাকেশ শীল। এরপর থেকেই তিনি গা ঢাকা দেন। পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে বারবার অভিযান চালালেও দীর্ঘদিন অধরা ছিলেন রাকেশ। শুধু তাই নয়, তার বাড়ির সামনে গত সেপ্টেম্বর মাসে আদালতের নির্দেশে হুলিয়া নোটিশও ঝুলিয়ে দিয়েছিল বালুরঘাট থানার পুলিশ। একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতার বাড়িতে এমন নোটিশ দেখে আলোড়নও তৈরি হয়েছিল শহরজুড়ে। যদিও এনিয়ে প্রথম থেকেই রাকেশ শীল দাবি করে এসেছিল তাকে মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে। তবে এদিন আদালতে আত্মসমর্পণের পর তার বিরুদ্ধে তদন্ত আরও জোরদার হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিন ফেরার থাকার পর আদালতে এভাবে আত্মসমর্পণের ফলে রাকেশ শীলের প্রভাব ও তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গভীর প্রশ্নের মুখে পড়তে চলেছে।
রাকেশ শীলের আইনজীবি অরিন্দম চ্যাটার্জি বলেন, রাকেশের জন্য জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখবার নির্দেশ দিয়েছেন।

