টেট,গ্রুপ ডি ও এসএসসির পর এবার দুর্নীতির ছায়া আইসিডিএসে।অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হিসাবে চাকরি দেওয়ার নামে বেশ বড় রকমের প্রতারণার অভিযোগ উঠে এল এবার মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে।

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ বিদেশ বিনোদন রাজ্য

মালদাঃ——চার লক্ষ টাকার বিনিময়ে আইসিডিএস প্রকল্পে চাকরি দেওয়া হবে এই টোপ দেওয়া হয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা তথা কৃষক জাহেদুল ইসলামকে।ওই কৃষক মেয়ের চাকরির জন্য স্ত্রীর গয়না বন্ধ রেখে ও জমি বিক্রি করে নগদ চার লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দা তথা আইসিডিএস হেল্পার মোসলেমা বেওয়া এবং তার মেয়ে পুতুল নেশার হাতে।টাকা নেওয়ার সময় তারা জানিয়েছিল সিডিপিও ও জেলার ঊর্ধ্বতন তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের ভালো পরিচয় রয়েছে।১৫ দিনের মধ্যেই চাকরি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।কিন্তু চাকরি তো দূরঅস্ত,দুই বছর কেটে গেলেও টাকা ফেরত পাননি।এদিকে সামনে ওই কৃষকের মেয়ের বিয়ে।সেই জন্য ওই আইসিডিএস হেলপারের কাছে রবিবার টাকা ফেরত চাইতে গেলে টাকা ফেরতের বদলে জুটলো ঘার ধাক্কা।এই ঘটনাকে ঘিরে এদিন চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকা জুড়ে।এ বিষয়ে ওই কৃষক হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মা ও মেয়ের বিরুদ্ধে।অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ বলে জানান।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মহেন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম তার মেয়ে নুরজাহান খাতুনের আই সি ডি এস এ চাকরির জন্য হরিশ্চন্দ্রপুরের সংগঠন পাড়ার বাসিন্দা পুতুল নেশা পারভীন এবং তার মা আইসিডিএস হেল্পার মুসলিমা বেওয়ার হাতে নগদ চার লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছিলেন।দু’বছর কেটে গেলেও সেই চাকরি হয়নি।বারবার টাকা ফেরত চাইতে গেলেও সেই টাকা ফেরত পাওয়া যায়নি।রবিবার জাহিদুল তার মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা ফেরত চাইতে গেলে টাকা ফেরত দেওয়া তো দূরের কথা উল্টে অভিযুক্ত মা ও মেয়ে জাহিদুল এবং তার পরিবারকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ।শারীরিক নিগ্রহ পর্যন্ত করা হয়।এরপরই জাহিদুল ওই আইসিডিএস হেল্পার এবং তার মেয়ের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *