বালুরঘাট ১৩নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর।শহরের বুকে গোপনে এক সোনার দোকানের ব্যবসায়ী পুনর্ভবা নদী দখল করে বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার
গঙ্গারামপুর শহর এলাকার বাসিন্দারা গঙ্গারামপুর শহর এলাকার ৭নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজারের সোনার দোকানের ব্যবসায়ী বসন্ত মুন্দ্রার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে জেলা সেচ দফতর,বিডিও অফিস থেকে শহরের একাধিক প্রতিষ্ঠানে।ঘটনা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি কড়া ব্যবস্থা নেবার দাবি জানিয়ে ঘটনার নিন্দা করেছেন তারা।গঙ্গারামপুর বিধায়ক বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। গঙ্গারামপুর শহরের ওই সোনা ব্যবসায়ী এমন ঘটনা নিয়ে শহরবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গঙ্গারামপুর শহর এলাকার ৭নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজারের সোনার দোকানের ব্যবসায়ী বসন্ত মুন্দ্রার বিরুদ্ধে গঙ্গারামপুর শহর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গঙ্গারামপুর শহর এলাকার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা পুনর্ভবা নদীটি তপন ব্লকের দিকে বয়ে চলেছে। অভিযোগ,গঙ্গারামপুর শহর এলাকার বড়বাজারের সোনার দোকানের ব্যবসায়ী বসন্ত মুন্দ্রা ও তার ছেলে প্রকাশ মুদ্রা বাড়ির পিছনে গোপনে পুনর্ভবা নদীর ভিতরে মাটি ফেলে পাকা বাড়ি তৈরি করেছে বিগত দিনে রাজের এক মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বসন্ত মুন্দ্রা।সেই সময় এলাকাবাসীরা ঘটনার প্রতিবাদ করলে বসন্ত মুদ্রা ও তার ছেলে প্রকাশ মুন্দ্রা এলাকাবাসীদের ভয় দেখান তাদের দেখে নেবে বলে তৎকালীন মন্ত্রী ও প্রশাসনের লোকজনদের দিয়ে অভিযোগ তাদের।বর্তমানে সময় পরিবর্তন হয়েছে,তাই বসন্ত মুদ্রা ও তার ছেলে প্রকাশ মুন্দ্রা অবৈধভাবে পুনর্ভবা নদী দখল করে যে বাড়ি তৈরি করেছে তার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যাওয়ার জন্য দাবি করেছেন তারা। পুনর্ভবা নদী দখল করে বাড়ি তৈরি করা বসন্ত মুন্দ্রা তার ছেলে প্রকাশ মুন্দ্রার বিরুদ্ধে প্রশাসন যেন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেক সেই দাবি জানিয়ে জেলার দুই বিশিষ্ট পরিবেশপ্রেমী অজিত ঘোষ ও তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেন,”নদী দখল করে যে অংশে নির্মাণ করেছেন সেটা প্রশাসন ভেঙ্গে দেক।ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হোক তাদের বিরুদ্ধে।” গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন”আপনার কাছে বিষয়টি জানতে পেরেছি, প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবার জন্য।” যদিও অভিযুক্তরা নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ করেছেন।তাদের দাবি নিয়ম মেনেই সব কিছু করা হয়েছে।

