গঙ্গারামপুর ২৬শে সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর——— বন্যার জলে ভেঙে গিয়েছে পুনর্ভবা নদীর রাস্তর প্রায় ৩টি জায়গায়। হূ হূ করে জল ঢুকে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু এলাকা জলের তলায়। জীবন বাঁচাতে মানুষজন আশ্রয় নিয়েছে রাস্তার ধারে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তপন ব্লকের আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বজরাপুকুর থেকে শুরু করে যাদববার্টির সমস্ত এলাকায় জলে পরিপূর্ণ। সাধারণ মানুষজন পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন এলাকার বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে নেতৃত্বরা। প্রশাসন তাদের পাশে দাড়াচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন এলাকার বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য।যদিও প্রশাসন ও তৃণমূল নেতার দাবি,সরকার কাজ করছে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে লোকসভা ভোটের আগে হাওয়া গরম করতে। কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পুনর্ভবা নদীসহ বিভিন্ন নদী জলে ভরে গিয়েছে। প্রশাসনের তরেপ ইতিমধ্যেই জেলার যে নদীগুলি রয়েছে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তপন ব্লকের আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের যাদববাটি এলাকায় পুনর্ভবা নদী বাঁধের প্রায় তিন চারটি এলাকায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নদীর বাঁধ ভেঙে নটি গ্রাম সংসদ সহ পুরো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে ভাসিয়ে দিয়েছে। এরফলে এলাকার মানুষজন বাড়িঘর ছেড়ে ফাঁকা রাস্তার উপরেই জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকার জন্য ত্রিপল টাঙিয়ে বসে রয়েছে। এমন খবর পাবার পর ওই এলাকার মানুষজনের পাশে এসে দাঁড়ান স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি সদস্য সহ এলাকার সমাজসেবী ভগিরথ সরকার সহ আরো অনেকেই। তারাও সাধারন মানুষ জন্মের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করছেন।
বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জানিয়েছেন, রাত্রিবেলাতে ভয়াবহ জল ভেঙে দিয়েছে বাঁধের প্রায় তিন চারটি জায়গায়। এলাকার মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে প্রশাসন তাদের সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করেন।
যদিও তপন ব্লকের যুগ্ম বিডিও ও আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সমীর রাহা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা বলেন, সরকার দলমত নির্বিশেষে কাজ করছে। সমস্যা করা মানুষজনের পাশে তারা রয়েছেন। এখন দেখার এটাই কবে নাগাদ এই নদী বাঁধের ভাঙ্গন গুলি সংস্কার হয় এবং এলাকার সাধারণ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে কিভাবে প্রশাসন তাদের সহযোগিতা করে সেটাই দেখার।

