উত্তর দিনাজপুরঃ- ————–—মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের সোহারই মোড় এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকল ও রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। দমকলের মোট চারটি ইঞ্জিন এই বিধ্বংসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।
রায়গঞ্জ শহরের পার্শ্ববর্তী সোহারই মোড় সংলগ্ন এলাকায় একটি বেসরকারি বিস্কুট কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে। কারখানার ২য় ও ৩য় তলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে প্রথমে রায়গঞ্জের দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। পরে কালিয়াগঞ্জ ও ডালখোলা থেকে আরও দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। দমকলের মোট চারটি ইঞ্জিন এই আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। যদিও এই ঘটনায় কোন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে। আশেপাশে একাধিক গোডাউন ও জনবসতি থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, দমকলের উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকার কারনে যে কোনও মূহুর্তে কারখানার আগুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ বর্মন জানিয়েছেন, “আশেপাশে প্রচুর মানুষের বাড়ি রয়েছে, গোডাউন রয়েছে। এই আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণ না করলে বড়োসড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ফ্যাক্টরিতে অগ্নি নির্বাপনের তেমন কোন ব্যবস্থা আছে কিনা জানা নেই। যদি থাকতো তাহলে আরও তাড়াতাড়ি এই আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যেত। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচন্ড আতঙ্কে রয়েছি।”
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ মার্চেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী। অতনু বাবু জানিয়েছেন, “আমাদের সংগঠনের সদস্যের ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। দমকল বাহিনী এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনও এসে পৌঁছেছে। অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা ছাড়া তো কোন ফ্যাক্টরি লাইসেন্স পায়না, হয়তো কোন যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটছে। তবে প্রাণহানির মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি দমকল দ্রুত এই আগুন নিয়ন্ত্রণ করবে।”

