গঙ্গারামপুর ২৩আগস্ট দক্ষিণ দিনাজপুর।খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে গঙ্গারামপুর শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হালদারপাড়ায় শুরু হয়ে গেল চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচারাল ক্লাবের ৪৭তম বর্ষের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি।রবিবার ক্লাব সদস্যদের উপস্থিতিতে মঙ্গলঘট জলে নিয়ে ঢাকের বাদ্যির সঙ্গে খুঁটি পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণে সম্পন্ন হয় পুজোর যাবতীয় আচার।
গঙ্গারামপুরের দুর্গাপুজোর মানচিত্রে চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচারাল ক্লাবের পুজো বরাবরই আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় সাজানো মণ্ডপ, নজরকাড়া আলোকসজ্জা এবং প্রতিমার অভিনব ভাবনা—প্রতি বছরই দর্শনার্থীদের টানে এই পুজো। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। মণ্ডপসজ্জা থেকে প্রতিমা, আলোকসজ্জা থেকে পুজোর ভাবনা—সব ক্ষেত্রেই থাকছে বিশেষ চমক।
ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের পুজোর ভাবনায় থাকবে দেবীর ‘অকালবোধন’।আধুনিক শিল্পভাবনা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে মণ্ডপ ও প্রতিমাকে দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।পুজো প্রাঙ্গণে শুধু উৎসবের আবহ নয়, পরিবেশবান্ধব প্যান্ডেল তৈরি করার পাশাপাশি সামাজিক বার্তাও তুলে ধরতে একাধিক সমাজসেবামূলক প্রচার ও কর্মসূচি রাখা হবে।
ক্লাবের সভাপতি সনদ কুমার দত্ত বলেন, “আমরা এবার একটু অন্য ধরনের পুজো উপহার দিতে চাই। কীভাবে মণ্ডপ,প্রতিমা ও আলোকসজ্জায় নতুনত্ব আনা যায়,সেই চেষ্টা চলছে।দর্শনার্থীদের আমাদের পুজো দেখতে অবশ্যই আসতে হবে। পাশাপাশি পুজোর মঞ্চের সামনে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রচারও থাকবে।”
ক্লাবের সম্পাদক সুশান্ত সাহা টোটনের কথায়, “আমাদের ক্লাব শুধু দুর্গাপুজোর সময় নয়, সারা বছরই মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে।পুজোর সময়ও একাধিক সমাজসেবামূলক কর্মসূচি নেওয়া হবে।”
খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সভাপতি সনদ কুমার দত্ত, সম্পাদক সুশান্ত সাহা টোটন, গৌতম ঘোষ, জয়দেব দাস, অসিত হালদার, তপন দাস, মৃন্ময় ঘোষ, মকুল তামান-সহ ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য।
খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে উৎসবের কাউন্টডাউন শুরু। এখন থেকেই চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচারাল ক্লাবের ৪৭তম বর্ষের পুজোকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসাহ। আধুনিকতার ছোঁয়া ও নান্দনিক আয়োজনে এবারও গঙ্গারামপুরের পুজোপ্রেমীদের নজর কাড়তে প্রস্তুত এই ক্লাব।

