বালুরঘাট, ১৫ নভেম্বর ———- বালুরঘাট ব্লকের বদলপুর গ্রামে ফের উন্মোচিত হলো আর্থিক প্রতারণার ঘটনা। “সাথি” নামে একটি সমিতির বিরুদ্ধেই গ্রামবাসীরা অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন, যেখানে তাদের সঞ্চিত প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে ওই সংস্থারই এক কর্মী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় “সাথি” নামক সমিতিটি কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমদিকে আমানতকারীদের সুদ সহ টাকা ফেরত দিয়ে আস্থা অর্জন করেছিল সংস্থাটি। ফলে গ্রামবাসীরা বাড়তি আয়ের আশায় বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করতে শুরু করেন। কিন্তু দুর্গাপূজার মহালয়ার দিন টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আজও কোনো অর্থ ফেরত দেয়নি সমিতি।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, সমিতির এক কর্নধার প্রীতম রায় নামে এক যুবক বেশ কিছুদিন ধরে পলাতক। যে কারনে ক্ষুব্ধ আমানতকারীরা এদিন বাধ্য হয়ে বালুরঘাট থানায় অভিযোগ জানান। যদিও সমিতির অপর এক সংগঠক উজ্বল বর্মন এ বিষয়ে বলেন, “অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। পলাতক প্রীতম রায় আগে আমার সঙ্গে কাজ করতেন, কিন্তু এখন তিনি সমিতির সঙ্গে যুক্ত নন। আমি তার দায়িত্ব নেব না।”
এ ঘটনায় বালুরঘাট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রতারণার শিকার গ্রামবাসীরা দ্রুত তাদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনা গ্রামীণ এলাকায় আর্থিক প্রতারণার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এনেছে।
তুলি সুত্রধর ও প্রিয়া বিশ্বাস রা বলেন, গ্রামের মহিলাদের প্রায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে অভিযুক্ত ওই সংস্থার কর্মী। ঘটনা নিয়ে পুলিশও উদাসীনতা দেখাচ্ছে। তারা চাইছেন তাদের জমানো টাকা ফেরত দেওয়া হোক।

