গঙ্গারামপুরে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাসের রোডশোতে ব্যাপক সাড়া দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের কালদিঘী থেকে পঞ্চায়েতে বিভিন্ন এলাকায় জোরদার প্রচার, মিছিলে ভিড় হল ছাত্র যুব মহিলাদের

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রাজ্য

দক্ষিণ দিনাজপুরঃ—-   নির্বাচনী প্রচারের হাতে আর মাত্র তিন দিন বাকি।শেষ মুহূর্তে প্রচারে গতি আনতে শনিবার জোরদার রোড শো করলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৪১ নম্বর গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দাস।
খোলা গাড়িতে চড়ে তিনি গঙ্গারামপুর ব্লকের ৫নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জনসংযোগ করেন।এই রোডশোকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। কালদিঘি পদাতিক ক্লাব ও এম্বুলেন্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রচারে জোরদার তৎপরতা দেখা যায়।
প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কালদিঘি পদাতিক ক্লাবের সম্পাদক আনন্দ দাস, ৫ নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লিপিকা সরকার, প্রাক্তন প্রধান কার্তিক সরকার এবং দমদম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি প্রশান্ত দাস সহ প্রচারে অংশ নেন অসংখ্য কর্মী ও সমর্থক।
কয়েকশো মোটরসাইকেল ও টোটো গাড়ি নিয়ে কালদিঘি পদাতিক ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয় বিশাল মিছিল।গৌতম দাসের গাড়ির সামনে ও পিছনে বাইক ও টোটোর শোভাযাত্রা এলাকাজুড়ে নজর কেড়েছে। পথ চলতি মানুষদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তিনি হাত জোড় করে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।
রোডশো চলাকালীন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা ৪১ নম্বর গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌতম দাসকে ‘এক নম্বর বোতাম টিপে জোড়া ফুল চিহ্নে’ ভোট দেওয়ার দেওয়ার জন্য মাইকে প্রচার করেন।
এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস বলেন, “দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে সবাই উন্নয়নের সঙ্গেই রয়েছেন। আমি সকলের কাছে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার আবেদন করছি ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি।”
কালদিঘি পদাতিক ক্লাবের সম্পাদক আনন্দ দাস বলেন, “মানুষ দিদির উন্নয়নের সঙ্গে রয়েছে। যেভাবে প্রার্থীকে সমর্থন করা হচ্ছে, তাতে তৃণমূল প্রার্থীর জয়লাভ করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।”
এদিন সকালে গৌতম দাসের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলেও ছাত্র, যুব ও মহিলাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনেরই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *