তৃণমূল পরিচালিত বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিসের ভিতরে বিভিন্ন ফ্রম আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা সামনে আসলো বিজেপি নেতৃত্বদের, ক্ষোভ তাদের, অস্বীকার তৃণমূল প্রধানের ,তদন্তে পুলিশ

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 গঙ্গারামপুর ৩জুন দক্ষিণ দিনাজপুর—–———– গোপনে পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই জব কার্ড,আধার কার্ড,সহ বিভিন্ন বিভাগের ফর্ম পুড়িয়ে দেবার ঘটনা সামনে আসতেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলেন এলাকার বিজেপির নেতৃত্বরা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে। বুধবার সকালে রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফ্রম বিতরণের বিষয় নিয়ে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা কমিটির সদস্য আমিনুল হক,এলাকার বিজেপি নেতা নিত্য সাহা খোঁজ খবর করতে জন। পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে ঢুকতেই দেখা যায় একটি জায়গায় আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফর্মের কাগজ। বিজেপি নেতৃত্বদের অভিযোগ, প্রধান ও অফিসের অন্যান্য আধিকারিকদের মদতেই তথ্য প্রমাণ রোপাট করার জন্য প্রচুর পরিমাণে জব কার্ড, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম, আধার কার্ড সহ বিভিন্ন কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়। যদিও এক বস্তা ভর্তি ফর্ম একটি বস্তার মধ্যে বোঝাই করে রেখে দেন বিজেপি নেতৃত্বরা। পরে তারা খবর দেয় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশকে। গঙ্গারামপুর থানা পুলিশ এসে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করে এবং উদ্ধার হওয়া ফর্মগুলি তারা গঙ্গারামপুর থানায় নিয়ে যায়। পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ জমা নেন থানার পঞ্চায়েতের সেই ঘটনা তদন্ত করতে যাওয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার। জেলা বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য আমিনুল হক অভিযোগ করে বলেন,”তথ্য প্রমাণ লোপাট করার জন্যই জব কার্ড সহ বিভিন্ন ধরনের ফর্ম পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে পঞ্চায়েতের প্রধানের নেতৃত্বে। দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই এমন ঘটনা করা হয়েছে।পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।” স্থানীয় বাসিন্দা তথা এলাকার বিজেপি নেতা নিত্য সাহা অভিযোগ করে বলেন,”তথ্য প্রমাণ লোপাট করার জন্যই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছিল পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যে।প্রশাসন তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।” বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান রোশনেয়ারা বিবি বলেন,”চক্রান্ত করে কে বা কাহারা ওই সমস্ত কাগজপত্র গুলি পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।ঘটনার সঙ্গে আমি কোনভাবেই যুক্ত নয়।পুলিশ তদন্ত করলেই সব প্রমাণ পেয়ে যাবে।” গঙ্গারামপুর ব্লক প্রশাসন ও থানা সূত্রে জানা গেছে,”তদন্ত করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *