তীব্র দাবদাহে মানবিক উদ্যোগ, পথচলতি মানুষ ও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের হাতে জল-ওআরএস তুলে দিল গঙ্গারামপুর ট্রাফিক পুলিশ।

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 গঙ্গারামপুর ৩জুন দক্ষিণ দিনাজপুর —————–—জ্যৈষ্ঠের প্রখর রোদ ও তীব্র দাবদাহে যখন প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না, তখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়াররা। তাদের কথা মাথায় রেখেই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করল গঙ্গারামপুর ট্রাফিক পুলিশ।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর চৌপথি এলাকায় এক বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গঙ্গারামপুর ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাসের উদ্যোগে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের হাতে পানীয় জল ও ওআরএসের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পথচারী, টোটোচালক, গাড়িচালকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও জল ও ওআরএস বিতরণ করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুপুরের দিকে রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় রোদে থাকার ফলে শরীরে জলের ঘাটতি, ক্লান্তি ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
হঠাৎ করে ব্যস্ত চৌপথি মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগে খুশি হন সাধারণ মানুষ। কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি পথচলতি মানুষের হাতেও যখন পানীয় জল ও ওআরএস পৌঁছে যায়, তখন অনেকেই এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
তীব্র গরমের মধ্যে গঙ্গারামপুর ট্রাফিক পুলিশের এই জনমুখী ও মানবিক কর্মসূচি এলাকাবাসীর কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জ্যৈষ্ঠের অসহ্য দাবদাহ, অন্যদিকে ব্যস্ত রাস্তায় নিরলস দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়াররা। তাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই বুধবার গঙ্গারামপুর চৌপথি এলাকায় পানীয় জল ও ওআরএস বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করল গঙ্গারামপুর ট্রাফিক পুলিশ। ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাসের উদ্যোগে এই কর্মসূচিতে পথচারী, টোটোচালক, গাড়িচালকসহ বহু মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় জল ও ওআরএস। তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে সচেতনতার বার্তাও দেওয়া হয়। ট্রাফিক পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

” এক বাসিন্দা বলেন,”ধন্যবাদ জানাই ট্রাফিক পুলিশকে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *