গঙ্গারামপুর ৩জুন দক্ষিণ দিনাজপুর——–————
অন্নপূর্ণা প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ দিনজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পুর এলাকার শতাধিক মহিলার হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। বুধবার বেলা দেড়টা নাগাদ গঙ্গারামপুর শহরের দেবীকোট ভবনে এই কর্মসূচির আয়োজন করে গঙ্গারামপুর পুরসভা।
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে অন্নপূর্ণা প্রকল্প চালু করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলা উপভোক্তাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়ারও সূচনা করেন।
এরপর গঙ্গারামপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহিলারা ভার্চুয়াল সভার সরাসরি সম্প্রচার দেখেন। সভা শেষে প্রকল্পের উপভোক্তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্নপূর্ণা প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। গঙ্গারামপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রায় শতাধিক মহিলা এদিন শংসাপত্র গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সত্যেন্দ্র নাথ রায়, গঙ্গারামপুর পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান জয়ন্ত কুমার দাস,সমাজসেবী অশোক বর্ধন,বৃন্দাবন ঘোষ, বিশ্বজিৎ সরকার সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, সুবিধা এবং আবেদনকারীদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশিকা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
শংসাপত্র হাতে পেয়ে উপভোক্তাদের মধ্যে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। অন্নপূর্ণা প্রকল্পের সূচনাকে কেন্দ্র করে দেবীকোট ভবন প্রাঙ্গণে এদিন উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন,“রাজ্যের মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে অন্নপূর্ণা প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে। গঙ্গারামপুরেও বহু মহিলা এই সুবিধা পাচ্ছেন, যা তাঁদের সংসারের আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালি হবে।
“গঙ্গারামপুর পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান জয়ন্ত কুমার দাস বলেন,“ গঙ্গারামপুর পুরসভার পক্ষ থেকে উপভোক্তাদের কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। মহিলারা যাতে সহজে এই প্রকল্পের সুবিধা পান সে
সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।”

