বিহার রাজ্যের এক বয়স্ক গৃহবধুকে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দিল,সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই

উত্তরবঙ্গ কলকাতা খেলা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

গঙ্গারামপুর ১৬ আগষ্ট দক্ষিণ দিনাজপুরঃ-নিখোঁজ হওয়া বিহারের এক বয়স্ক গৃহবধুকে উদ্ধার করে পুলিশ তাঁর পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দিল।মঙ্গলবার রাতে নিখোঁজ হওয়া ওই গৃহবধুকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ গঙ্গারামপুর কলেজের পার্শ্ববর্তি এলাকা থেকে উদ্ধার করে বুধবার দুপুরে পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এদিন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ তাঁকে তাঁর আত্মীয়স্বজনদের হাতে তুলে দেয়।গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের এমন কাজকে বিহার রাজ্যের বাসিন্দারা সহ সকলেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।
গঙ্গারামপুর থানার পুলিশি সুত্রে যানা গেছে মঙ্গলবার রাতে গঙ্গারামপুর কলেজের পার্শ্ববর্তি এলাকা থেকে খবর আসে যে, একজন বয়স্ক গৃহবধু সে হিন্দিতে কথা বলছে। তাঁর বাড়ির ঠিকানা নাম পরিচয় বলতে পারছে না। এমন খবর পাবার পরে গঙ্গারামপুর থানার টাউনবাবু এসআই বিশ্বজিৎ বর্মন থানার আইসিকে পুরো বিষয়টি জানায়।থানার আইসির নির্দেশ পাবার পরে টাউনবাবু থানার সেই সময়ে থানার কাজে দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসার এসআই মঙ্গল হেমরমকে সেখানে পাঠান তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য।
গঙ্গারামপুর থানার সেই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার এসআই মঙ্গল হেমরম জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই বয়স্ক গহবধু জানান তাঁর নাম গীতা দেখা (৫৬), বাড়ি পীরবাজার,থানা ,পীরবাজার জেলা লক্ষ্মীসরাই বিহার রাজ্যের বাসিন্দা সে।ঠিকানা জানতে পেরেই ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে মঙ্গলবার রাতে যোগাযোগ করলে বুধবার দুপুরে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে আসে। বুধবার দুপুরেই ওই বয়স্ক গৃহবধূকে তাঁদের পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।মাকে পুলিশের মাধ্যমে ফিরে পেয়ে বয়স্ক গৃহবধুর ছেলে বিজয় কুমার ও আরেক আত্মীয় প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন,তিনদিন ধরে পরিবার থেকে নিখোঁজ হয়।গঙ্গারামপুর থানা থেকে মঙ্গলবার রাতে খবর পেতেই আমরা তাঁকে নিয়ে গেলাম।গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের এমন কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নিখোঁজ হওয়া পরিবারের আত্মীয়স্বজনেরা।
গঙ্গারামপুর থানার আইসি জানিয়েছেন,এটা পুলিশের মানবিক কাজ,এমন কাজ সব সময় আমরা করে যাব মানুষজনদের জন্য।
গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের এমন কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গঙ্গারামপুরবাসীও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *