বুনিয়াদপুরে দিনে দুপুরে কোটি টাকা লটারি চুরি করতে গিয়ে বংশীহারী থানার বাজে কানুর এলাকায় ধরা পড়ল গ্রামীণ পুলিশ, বাড়ির মালিক ও গ্রামবাসীরা উত্তম মাধ্যম দিয়ে তুলে দেওয়া হলো পুলিশের হাতে , থানায় হলো লিখিত অভিযোগ দায়ের, তদন্ত পুলিশ

উত্তরবঙ্গ কলকাতা দক্ষিণবঙ্গ দেশ প্রথম পাতা বিদেশ বিনোদন রবিবার রাজ্য শরীর ও স্বাস্থ্য

 ১জুন দক্ষিণ দিনাজপুর———————           দিনে দুপুরে ফাকা বাড়ির খবরের সুযোগে গ্রিল মিস্ত্রির এক শ্রমিকের লটারিতে পাওয়া কোটি টাকার লটারি টিকিট চুরি করতে গিয়ে লটারি টিকিট মালিকের পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়লো এক গ্রামীণ পুলিশ বলে অভিযোগ।ব্যাপক মারধর দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার ৯নম্বর গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাওরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবক গ্রামীন পুলিশ পঞ্চ রামকে বংশীহারী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।টিকিটের মালিক সঞ্জয় সরকার এবিষয়ে গ্রামীণ পুলিশের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। রবিবার বংশীহারী ব্লকের ৯নম্বর গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বাজে কানুর এলাকার বাসিন্দা গ্রিল মিস্ত্রির কাজের শ্রমিক সঞ্জয় সরকার রবিবার তার বাড়ির এলকার বাজার থেকে ১৭৫ টাকা দিয়ে ৫সিরিজের একটি ডিয়ার লটারি টিকিট কাটেন।সেই লটারি পুরস্কার থেকেই তিনি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যায়।গ্রিল মিস্ত্রির কাজে সঞ্জয় সরকারের লটারিতে কোটি টাকার পুরস্কারের বিষয়টি ইতিমধ্যেই প্রচার হয়েছে পাড়ায়। সঞ্জয়ের পরিবার সূত্রে খবর, কোটি টাকার লটারিতে পুরস্কার পাবার পরে আদালত থেকে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে এভিডেভিড করতে হয় টিকিটের মালিক ও পুরো টিকিটের সংখ্যা লিখে।এর পরে আদালতের এভিডেভিডের কপি নিয়ে স্থানীয় থানায় সাধারণভাবে(জেনারেল ডাইরি) করতে হয়।সেই এভিডেভিড করার জন্য সোমবার বেলা এগারোটা নাগাদ গঙ্গারামপুর এট বুনিয়াদপুর মহকুমা আদালত গিয়েছিল পুরস্কার পাওয়ার টিকিটের মালিক সঞ্জয় সরকার,তার বাবা গৌড় সরকারকে নিয়ে এভিডেভিড করতে।পরিবারে তার স্ত্রী শিলা সরকার, শাশুড়ি বাড়িতে ছিল। অভিযোগ,লটারিতে পুরস্কার পাবার খবরটি ইতিমধ্যেই গাঙ্গুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামীণ পুলিশ ডাওরিয়া এলাকার বাসিন্দা পঞ্চ রামের কাছে খবর যায়। সেই টিকিটের খোঁজে সঞ্জয় সরকারের বাড়িতে গিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকে গ্রামীণ পুলিশ পঞ্চ রাম খুঁজতে থাকে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সঞ্জয়ের স্ত্রী শিলা সরকারের নজরে আসতেই তিনি চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করেন চোর চোর বলে।পাড়ার লোকজন দৌড়ে এসে দিনে দুপুরে হওয়া এমন চুরির বিষয়ে ওই গ্রামীণ পুলিশকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। সঞ্জয়ের স্ত্রী শিলা সরকারের অভিযোগ,”পুরস্কারের কোটি টাকার টিকিটটি চুরি করতে এসেছিল ওই গ্রামীন পুলিশ। স্বামীসহ আমরা যে বাড়িতে নেই যে এই খবর পেয়ে এসেছিল সে।কিন্তু আমি বাড়িতেই ছিলাম। তাকে হাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।কঠোর শাস্তির দাবি জানায়।” লটারিতে কোটি টাকার পুরস্কার পাওয়া সঞ্জয় সরকার বলেন,”স্ত্রীর ও পরিবারের লোকজনের কাছে খবর পেয়ে আদালত থেকে তৈরি করি ছুটে আসি বাড়িতে।পরে তাকে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি অভিযুক্তের নামে।” এলাকাবাসী গোপাল পাল,লক্ষণ পাল, নিরঞ্জন পালের অভিযোগ করে বলেন,”পুলিশের যে চোর হতে পারে এইটা ভাবা খুবই মুশকিলই ছিল,হাতেনাতে ধরে প্রমাণ হল।অভিযুক্তকে পুলিশ ডেকে থানায় তুলে দিয়েছি কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।” মহকুমা পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,”অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *